দেশের হয়ে প্রথম সেঞ্চুরি ব্যান্টনের
ইংল্যান্ডের জার্সিতে দশম ওয়ানডেতে এসে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সেঞ্চুরির স্বাদ পেলেন এই ওপেনার।
ওপেনিং জুটির সঙ্গীকে দ্রুত হারালেও, দিক হারালেন না টম ব্যান্টন। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে দারুণভাবে নিজেকে মেলে ধরলেন তিনি। পেলেন জাতীয় দলের হয়ে ক্যারিয়ারে প্রথম সেঞ্চুরির স্বাদ।
দা ওভালে শনিবার সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে ১২৬ রানের ইনিংস খেলেছেন ব্যান্টন। দশম ওয়ানডেতে এসে এই সংস্করণে তো বটেই, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেই প্রথম সেঞ্চুরি পেলেন তিনি।
ইনিংস শুরু করতে তিন অঙ্ক ছোঁয়া পর্যন্ত কখনই তেমন মারমুখি হয়ে ওঠেননি ব্যান্টন।
ষোড়শ ওভারে তার ৫১ বলে ফিফটি ছোঁয়ার দুই বল আগে ফিরে যান অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান জো রুট। ফলে এরপর আরও একটু ধীরে এগোনোর দিকেই যেন মনোযোগ দেন ব্যান্টন। তবে হ্যারি ব্রুকের সঙ্গে জমে ওঠে তার জুটি।
দ্রুত না হলেও, দুজনের ব্যাটেই আসতে থাকে রান। ৩১তম ওভারে সাচিন্দু কলম্বাগের বলে একটি করে ছক্কা-চার মেরে এবং একটি সিঙ্গল নিয়ে ৯৫ এ পৌঁছে যান তিনি। এক ওভার পর ওয়েলালাগের বল বাউন্ডারিতে পাঠিয়ে কাঙ্ক্ষিত ঠিকানা ছুঁয়ে, দুই হাতে হেলমেট ও ব্যাট উঁচিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন ব্যান্টন।
পরের ৫০ রান করতে ৪৪ বল খেলেন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওয়ানডে অভিষেকের সাড়ে ছয় বছর পর, এই সংস্করণে সেঞ্চুরির দেখা পেলেন ব্যান্টন।
পরের ওভারেই মাদুশাঙ্কাকে পরপর দুটি ছক্কা ও একটি চার মারেন ব্যান্টন। তিন ওভার পর কলম্বাগের পরপর দুটি বল বাউন্ডারিতে পাঠান তিনি। কিন্তু ওই ওভারের শেষ বলেই আরেকটি বড় শটের চেষ্টায় লং অনে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান ২৭ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার।
১০৫ বলে ১৬টি চার ও পাঁচটি ছক্কায় জীবনের স্মরণীয় ইনিংসটি খেলেন ব্যান্টন।
এই সিরিজ দিয়ে ওয়ানডেতে প্রথমবার ওপেন করার সুযোগ পান তিনি। প্রথম ম্যাচে ১০ রান করে ফিরলেও, পরের ম্যাচে খেলেন ৭৩ রানের ইনিংস, তখন পর্যন্ত যা ছিল ওয়ানডেতে তার সর্বোচ্চ স্কোর। সেই ধারাবাহিকতা ধরে রেখে দারুণ সেঞ্চুরিতে দলকে বড় ইনিংসের ভিত গড়ে দিলেন ব্যান্টন।
৫০ ওভারে ইংল্যান্ড তোলে ৩৫৫ রান।
