দলের সঙ্গে যাচ্ছেন না শান্ত, আবু ধাবি টেস্টে খেলা নিয়ে শঙ্কা কতটা
অসুস্থতা নিয়ে জাপান থেকে ফেরা ব্যাটসম্যান টেস্ট দলের সঙ্গে এখনই যেতে পারছেন না দুবাইয়ে।
বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি দলে নাজমুল হোসেন শান্তর প্রত্যাবর্তন পর্ব থমকে গেছে মাঠে নামার আগেই। এখন অনিশ্চয়তা আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে তাকে পাওয়া নিয়ে। দলের সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতে যেতে পারছেন না বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক। শারীরিক অবস্থা বুঝে পরে তাকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এশিয়ান গেমস ক্রিকেটের দল দিয়ে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডে ফেরেন শান্ত। কিন্তু জ্বরের কারণে গেমস থেকে ছিটকে পড়েন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান। মঙ্গলবার রাতে তিনি দেশে ফেরেন।
টেস্ট দলের যারা এশিয়ান গেমসের দলে নেই, তারা দেশ ছাড়বেন বৃহস্পতিবার। তবে তাদের সঙ্গী হতে পারছেন না। বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের ইন-চার্জ শাহরিয়ার নাফীস অবশ্য আশার কথাই শোনালেন টেস্ট অধিনায়ককে নিয়ে।
“শান্ত কিছুটা জ্বরে ভুগছিল। সতর্কতা হিসেবে ওকে আমরা এশিয়ান গেমস থেকে বাংলাদেশে নিয়ে এসেছি। গতকালকে রাতে সে বাংলাদেশে ফিরেছে। আজকে ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়েছে। ওর জ্বরের অবস্থা আমরা জানতে পেরেছি ডাক্তার অ্যাসেসমেন্ট করেছে। তার অবস্থার উন্নতি হচ্ছে।
আমরা খুবই আশাবাদী যে, সে যথাসময়ে দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারবে। যদিও কালকে সফর করতে পারবে না, তবে আমরা বিশ্বাস করি, যথাসময়ে শান্তকে আমরা সুস্থ পাব।”
আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের টেস্ট শুরু হবে ৯ অক্টোবর। সিরিজের সূচি আগেই চূড়ান্ত হলেও ভেন্যুর ঘোষণা দেওয়া হয় বুধবার। টেস্ট ম্যাচটি হবে আবু ধাবিতে। এরপর ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের খেলাগুলি হবে আবু ধাবি ও শারজাহতে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রচণ্ড গরমে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের কঠিন পরীক্ষা অপেক্ষায়। বিশেষ করে, পেসারদের ওপর ধকল যাবে বেশি। এই সফরের পরপরই দক্ষিণ আফ্রিকা সফর, যেটি বাংলাদেশের জন্য আরও গুরুত্বপূর্ণ।
শাহরিয়ার নাফীস জানালেন, সবকিছুর ছক আগেই সাজিয়ে রেখেছে টিম ম্যানেজমেন্ট। ক্রিকেটারদের ওয়ার্কলোড সেভাবেই অনুসরণ করা হবে।
“বাংলাদেশ টিম ম্যানেজমেন্ট প্রত্যেকটা ফ্যাক্টর চিন্তাভাবনা করেই দল গঠন করেছে। এখন পর্যন্ত আমরা সেরকমই দেখেছি। টিম ম্যানেজমেন্টের যে পরকল্পনা, সেটা তো আমি বলতে পারব না। তবে অবশ্যই এতটুকু আমরা নিশ্চিত করতে পারি যে, প্রত্যেকটা ক্রিকেটারের সুস্থতা, তাদের ভালো থাকা এবং কন্ডিশন, এগুলো অবশ্যই তাদের বিবেচনায় থাকে। আগামী ২-৩ মাসে আমাদের এই গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটগুলো আছে, সব বিবেচনায় রেখেই বাংলাদেশের টিম ম্যানেজমেন্ট দল গড়বে।”
“ক্রিকেটারদের নিয়ে যে কনসার্ন, সেগুলো বাস্তবিকই। এগুলো নিয়ে টিম ম্যানেজমেন্ট এর মধ্যেই কাজ করছে এবং রোটেশন যা প্রয়োজন, কাকে কতটা বিশ্রাম দেওয়ার প্রয়োজন, তারা ঠিক ওভাবেই ক্যালকুলেট করবেন। আমাদের টিম ম্যানেজমেন্ট এখনও পর্যন্ত ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টে বেশ ভালোই করছে। বেশির ভাগ ক্রিকেটারই অংশ নিতে পারছে, ইনজুরির সংখ্যা কমে আসছে।”
