Published : 01 Dec 2025, 06:30 PM
বিশ্বকাপের বাকি দুই মাসের বেশি। তবে বাংলাদেশের ম্যাচ বাকি একটি। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচটিই বিশ্ব আসরের আগে বাংলাদেশের শেষ ম্যাচ। সেই বড় চ্যালেঞ্জের জন্য তৈরি হয়ে ওঠার পথে অনেক কিছুই ঠিকঠাক করার বাকি দলের। তবে এই এক ম্যাচেই অনেক কিছু করে ফেলার জটিল ভাবনায় যেতে চায় না বাংলাদেশ। লিটন কুমার দাসের দলের চাওয়া ম্যাচ জিতে সিরিজ জয়ের হাসিতে শেষ করা।
এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি। বাংলাদেশ প্রথম দিনেই লড়বে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে, যে ম্যাচ মহাগুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে পরের ধাপে পৌঁছানোর জন্য।
বিশ্বকাপের আগে ভারতে গিয়ে আনুষ্ঠানিক দুটি গা গরমের ম্যাচ খেলার কথা বাংলাদেশের। তবে সেসব তো শেষ পর্যন্ত প্রস্তুতি ম্যাচ, প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঝাঁজ সেখানে থাকে না। চট্টগ্রামে মঙ্গলবার আইরিশদের বিপক্ষে ম্যাচে তাই অনেক কিছুই দেখে নেওয়ার ব্যাপার আছে।
সমস্যা হলো, সিরিজে এখন ১-১ সমতা। প্রথম দুই ম্যাচে সিরিজ জিতে গেলে শেষ ম্যাচে পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ থাকত অনেকটাই অবারিত। কিন্তু এখন সেই পথে পা বাড়াতে অনেক ভাবতে হবে টিম ম্যানেজমেন্টকে।
দলের পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলার জন্য পেস বোলিং কোচ খুব আদর্শ কেউ নন। শেষ ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে দলের প্রতিনিধি হয়ে এলেন সেই শন টেইট। দলের ভাবনার ছবিটা অবশ্য কিছুটা পরিষ্কার হয়ে উঠল তার কথায়।
“দেখুন, আমার মনে হয়, নিজেদের কাজ জটিল করে তোলার কোনো প্রয়োজন আমাদের নেই। স্রেফ ভালো ক্রিকেট খেলতে হবে এবং জিততে হবে। প্রতিটি জয়, প্রতিটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ জিতলেই সেটা থেকে আত্মবিশ্বাস মেলে।”
“আমরা সেরা যে কাজটি করতে পারি, তা হলো গত ম্যাচে জয়ের বিশ্বাসকে আগামীকালের ম্যাচে বয়ে নেওয়া ও ভালো খেলা। আশা করি আমরা জিতব। তার পর তো কিছুটা বিরতি আছে। সেই বিরতিও জরুরি, তাই না? আমরা যদি জয় দিয়ে বিরতিতে যেতে পারি, সেটিই সেরা ব্যাপার হবে। আমার তাই মনে হয়, চিন্তাভাবনা জটিল করার দরকার খুব একটা নেই।”
বিশ্বকাপের একটি প্রস্তুতি অবশ্য এই ম্যাচে হবে। কলকাতায় তিনটি গ্রুপ ম্যাচ বাংলাদেশ খেলবে দিনের আলোয়। চট্টগ্রামে মঙ্গলবারের ম্যাচটিও শুরু দুপুর ২টায়।