২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫ আশ্বিন ১৪৩৩

জাতীয় চিড়িয়াখানার লেকে ছাড়া হল ২৫০ কেজি পোনা

লেকে ১০০ কেজি রুই, ৭৫ কেজি কাতলা ও ৭৫ কেজি কালিবাউস মাছের পোনা ছাড়া হয়েছে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 19 Sep 2026, 05:53 PM

Updated : 19 Sep 2026, 07:02 PM

দেশীয় মাছ সংরক্ষণ ও মাছের উৎপাদন বাড়াতে জাতীয় চিড়িয়াখানার লেকে ২৫০ কেজি পোনা ছাড়া হয়েছে।

এর মধ্যে ১০০ কেজি রুই, ৭৫ কেজি কাতলা ও ৭৫ কেজি কালিবাউস মাছের পোনা ছাড়া হয়েছে। ১০ থেকে ১৫ সেন্টিমিটার আকারের পোনামাছগুলো সংখ্যায় আড়াই হাজারের বেশি।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শনিবার প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু পোনামাছগুলো অবমুক্ত করেন।

পরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় মাছের পোনা ছাড়া হচ্ছে। দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও বর্তমানে মাছের উল্লেখযোগ্য কোনো ঘাটতি নেই। বিশেষ করে মিঠাপানির মাছের উৎপাদন ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। চাষির সংখ্যা যেমন বাড়ছে, তেমনি চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন বাড়ানোর প্রচেষ্টাও অব্যাহত রয়েছে।

“প্রান্তিক পর্যায়ের খামারিদের উৎসাহিত করতে সরকার বিভিন্ন ধরনের সহায়তা দিচ্ছে। মৎস্য খামারিরা কৃষক কার্ডের আওতায় বিভিন্ন সুবিধার আওতায় আসবেন। খামারিদের জন্য সহজ শর্তে ঋণসহ সরকারের বিভিন্ন প্রণোদনা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যাতে উৎপাদন বৃদ্ধি পায় এবং গ্রামীণ অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হয়।”

মাছের খাদ্য ও অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার নিয়ে তিনি প্রতিমন্ত্রী বলেন, “নিরাপদ মাছ উৎপাদনের জন্য সচেতনতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার বন্ধে খামারিদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা খামারিদের আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মাছ চাষের পরামর্শ দিচ্ছেন। এতে উৎপাদন বাড়ার পাশাপাশি অপচয় ও উৎপাদন ব্যয়ও কমছে।”

মানসম্মত মাছের খাদ্য নিশ্চিত করতে সরকার কঠোর নজরদারি চালাচ্ছে জানিয়েছেন তিনি।

“নিম্নমানের ফিড উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ রোধে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে, যাতে খামারিরা মানহীন খাদ্য ব্যবহার না করেন এবং ভোক্তারা নিরাপদ মাছ পান, সে লক্ষ্যে তদারকি আরও জোরদার করা হয়েছে।”