Published : 06 Aug 2026, 10:55 PM
বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে লম্বা সময় পেয়েছেন মার্নাস লাবুশেন। যেটিকে তিনি বলছেন তার ক্যারিয়ারের ‘দীর্ঘতম বিরতি।’ আর এই বিরতি আরও আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে তাকে। হন্যে হয়ে রানের পেছনে না ছুটে মৌলিক দিকগুলোয় মনোযোগ দিয়ে টেস্টে সেরা ফর্মে ফেরার আশায় এই অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যান।
লাবুশেন স্বীকৃত ক্রিকেটে সবশেষ মাঠে নামেন গত ১৪ জুলাই, মিরপুরে বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডেতে। একই দলের বিপক্ষে ডারউইন ও ম্যাকাইতে দুটি টেস্ট খেলার অপেক্ষায় তিনি। যার প্রথমটি শুরু হবে আগামী বৃহস্পতিবার।
ব্রিজবেনে অস্ট্রেলিয়া দলের সঙ্গে অনুশীলনের সময় বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের লাবুশেন বলেন, “এই দুটি টেস্ট ভালোভাবে শুরু করাটা অবশ্যই খুব গুরুত্বপূর্ণ।”
অস্ট্রেলিয়ার তিন নম্বরের এই ব্যাটসম্যান সবশেষ ২১ টেস্টে কোনো সেঞ্চুরি করতে পারেননি। সবশেষ শতকটি করেছিলেন ২০২৩ সালের জুলাইয়ে, ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেছিলেন ১১১ রানের ইনিংস।
তিনি সেরা ফর্মে ছিলেন ২০১৯ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে। তার ১১টি টেস্ট সেঞ্চুরির ১০টিই করেছিলেন ওই সময়ে। সেই ফর্মেই ফিরতে চাইছেন ৩২ বছর বয়সী ব্যাটসম্যান। বললেন, আট সপ্তাহের এই বিরতি তাকে মৌলিক দিকগুলোতে ফিরে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে।
“আমার খেলার উন্নতি করা, আমার শট নির্বাচন এবং সামগ্রিক কৌশলের মতো সাধারণ বিষয়গুলোতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় দেওয়াটা আমার জন্য খুব দরকার ছিল। যখন টানা সাত-আট বছর ধরে খেলা হয়, তখন এটাই আমার পাওয়া দীর্ঘতম বিরতি। এমন অনেক সময় গেছে, যখন আমি সবকিছু গুছিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু সেই ছোট ছোট পরিবর্তনগুলোতে পুরোপুরি মনোযোগ দেওয়ার জন্য যথেষ্ট সময় আমার হাতে ছিল না।
ফিরে এসে নিজের সেরা ফর্ম খুঁজে পাওয়া এবং সেরাটা খেলতে গেলে কেমন লাগে, তা বুঝতে পারাটা সত্যিই দারুণ ছিল। অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে এখানে গত কয়েক সপ্তাহের প্রস্তুতি দারুণ কাজে দিয়েছে। আশা করি, এত কঠোর পরিশ্রমের ফল আমরা দেখতে পাব।”
বড় ইনিংসের পেছনে না দৌড়ে, অতীতে সাফল্য পাওয়া প্রক্রিয়ার ওপরই আস্থা রাখতে চান ৬৩ টেস্ট খেলা লাবুশেন।
“আমি যদি আমার খেলার ওপর আস্থা রাখতে পারি, তাহলে এই যাত্রা যত এগোবে, রানও আসবে। আমার মনে হয়, আমি যে সময়টা খুব ভালো কাটিয়েছি, সেই সময়ে এটাই খুব ভালোভাবে করেছিলাম। আমার খেলার ওপর আস্থা রেখেছিলাম, যেভাবে ব্যাটিং করছিলাম, তার ওপর আস্থা রেখেছিলাম, খেলাটা বোঝার চেষ্টা করেছিলাম এবং সেই মুহূর্তে আমার কাছ থেকে দলের কী প্রয়োজন, তা বুঝেছিলাম। আমি সেটারই অপেক্ষায় আছি।”