না থেকেও আছেন সাকিব

সাকিব আল হাসান না থাকায় নিজের খুশির কথা একটু আগেই বলে গেছেন ফাফ দু প্লেসি। তিন ধরনের ক্রিকেটে আইসিসির শীর্ষ অলরাউন্ডারের না থাকাটা বাংলাদেশের জন্য যে কত দুর্ভাবনার তা একটু পরেই বোঝা গেল মুশফিকুর রহিম ও চন্দিকা হাথুরুসিংহের কথায়।

ক্রীড়া প্রতিবেদক পচেফস্ট্রুম থেকেবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 27 Sept 2017, 03:48 PM
Updated : 27 Sept 2017, 04:15 PM

বাংলাদেশের অধিনায়ক-কোচের সংবাদ সম্মেলনের বড় একটা অংশজুড়ে থাকলেন সাকিব। যাকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে।

সাকিব না থাকায় বাংলাদেশকে সবচেয়ে বড় বিপদ হয় সঠিক কম্বিনেশন সাজানো নিয়ে। বাঁহাতি অলরাউন্ডারের অভাব পূরণ করতে হাথুরুসিংহের প্রয়োজন দুই জন ক্রিকেটার।

“আপনি একাদশে ১১ জন খেলোয়াড় খেলাতে পারবেন। একজনের জায়গায় তো দুইজন নেওয়া সম্ভব না। ওর জায়গায় আমাদের হয় এক জন ব্যাটসম্যান নয়তো এক জন বোলার খেলাতে হবে। কাল আমরা একাদশ ঠিক করবো।”

চলতি বছর টেস্টে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক সাকিব। দুটি শতক আর তিনটি অর্ধশতকে ৪৭.৫০ গড়ে করেছেন ৬৬৫ রান। তার চেয়ে বেশি রান কেবল অধিনায়ক মুশফিকের (৬৭৩)। হাথুরুসিংহে আভাস দিয়েছেন বাড়তি একজন ব্যাটসম্যান নেওয়ার।

“আমি মনে করি, সাকিব শেষের দিকে অনেক রান করেছে। সম্ভবত ও আমাদের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। এই পর্যায়ে আমাদের এই ব্যাপারটার দিকে নজর রাখতে হবে।”   

সাকিবের অভাব কতটা অনুভব করবেন সেটা আগেও বলেছেন মুশফিক। দক্ষিণ আফ্রিকায় আবার বললেন, বাঁহাতি স্পিন আর মিডল অর্ডারের ব্যাটিং কতটা মিস করবেন তিনি।

“ওর মানের একজন খেলোয়াড়ের অভাব সবাই অনুভব করবে। ওর জায়গায় খেলানোর মতো ওর মতো আর কোনো খেলোয়াড় আমাদের নেই। ওকে রিপ্লেস করা আমাদের জন্য বড় একটা পরীক্ষা হবে।”

সাকিব না থাকায় অন্যদের এগিয়ে আসার সুযোগ দেখেন অধিনায়ক, “ওদের নিজের সাহস, নিজের সামর্থ্য দেখানোর সুযোগ। কেউ যদি তা করতে পারে সেটা দল ও বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য অনেক বড় একটা ব্যাপার হবে।”

মুশফিকের কাছে সাকিব বাংলাদেশের ক্রিকেটের দূত। অধিনায়কের বিশ্বাস ছুটি কাটিয়ে সতেজ হয়ে ফিরবেন তার সতীর্থ। তার আগে একাদশ সাজানো নিয়ে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি মুশফিকও।

“প্রতিপক্ষ বিবেচনায় রেখে, কন্ডিশন মাথায় রেখে আমরা সেরা কম্বিনেশন গঠন করার চেষ্টা করি। এখন আমরা একজন ব্যাটসম্যান খেলাতে পারি। একজন বাড়তি পেসার বা একজন স্পিনার খেলাতে পারি। সব দিকই বিবেচনা করা হচ্ছে।”

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক