১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

টেস্টে পাকিস্তানের স্থায়ী কোচ হতে আগ্রহী হেসন

পাকিস্তানের ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দলের কোচের বিশ্বাস, সঠিক দিকনির্দেশনা দিয়ে টেস্ট ক্রিকেটেও দলকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।

টেস্টে পাকিস্তানের স্থায়ী কোচ হতে আগ্রহী হেসন
মাইক হেসন। ছবি: রয়টার্স

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 12 Sep 2026, 10:58 PM

Updated : 17 Sep 2026, 02:59 AM

সাদা বলের পাশাপাশি পাকিস্তানের টেস্ট দলের স্থায়ী কোচ হতেও আগ্রহী মাইক হেসন। দীর্ঘ পরিসরের সংস্করণে কাজ করার মতো যথেষ্ট প্রতিভা দলটিতে দেখেন তিনি। তার বিশ্বাস, সঠিক দিকনির্দেশনা দিয়ে লাল বলের ক্রিকেটেও পাকিস্তানকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।

ইংল্যান্ড সফরে প্রথম দুই টেস্টে বাজেভাবে হারের পর প্রধান কোচ সারফারাজ আহমেদ ও বোলিং কোচ উমার গুলকে বরখাস্ত করে পাকিস্তান। সঙ্গে সাতজন ক্রিকেটারকেও দেশে পাঠিয়ে দেয় তারা।

এজবাস্টনে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টেস্টের জন্য হেসনকে প্রধান কোচের দায়িত্ব দেয় পাকিস্তান। আর বোলিং কোচ করে অ্যাশলি নাফকে, যিনি সাদা বলের দলের দায়িত্বেও আছেন।

তাতে অবশ্য ভাগ্য বদলায়নি পাকিস্তানের। বার্মিংহ্যামে শনিবার ৮ উইকেটে হারে তারা। প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ডের মাটিতে হোয়াইটওয়াশড হওয়ার তেতো স্বাদ পায় এশিয়ার দলটি।

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে হেসন বলেন, পাকাপাকিভাবে টেস্ট দলের দায়িত্ব নিতে আপত্তি নেই তার। টেস্ট ক্রিকেটের জন্য পাকিস্তানের প্রতিভা দেখে আশার কথাও শোনান তিনি।

“অবশ্যই এতে (টেস্টের দায়িত্ব নিতে) আমি আগ্রহী। টেস্ট ক্রিকেট আমি ভালোবাসি। পাকিস্তানের ক্রিকেট কাঠামোয় যথেষ্ট প্রতিভা আছে। তাদের ভালো দিকনির্দেশনা দিতে পারলে সামনে এগোনো সম্ভব। তবে এক-দুই ম্যাচেই এটা হবে না। এখানে এমন কিছু দক্ষতা আছে, যেগুলো নিয়ে কাজ করার দায়িত্ব নিতে আমি অবশ্যই আগ্রহী।”

কয়েক সপ্তাহ আগে একই দায়িত্বের জন্য হেসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল ইংল্যান্ড। ব্রেন্ডন ম্যাককালাম দায়িত্ব ছাড়ার পর তার উত্তরসূরি খুঁজছিল ইংলিশরা। ওই সময় হেসন বলেছিলেন, সেই আলোচনা প্রাথমিক পর্যায়েই থেমে গিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত ইংল্যান্ড স্টিভেন ফ্লেমিংকে নিয়োগ দেয়। এরপর হেসন ২০২৭ বিশ্বকাপ পর্যন্ত পাকিস্তানের দায়িত্বে থাকার বিষয়ে নিজের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

তবে পাকিস্তানের টেস্ট দলের দায়িত্ব তিনি নেবেন কি না, সেটি মূলত তার হাতে নেই- নিজেই তা স্বীকার করেছেন হেসন। কারণ পিসিবি এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি।

“এই পর্যায়ে আমি কোনো চাকরির প্রস্তাব নিয়ে ভাবিইনি। দেশে ফেরার এক সপ্তাহ পরই এশিয়ান গেমস আছে। সাদা বলের ক্রিকেটে এই মুহূর্তে সেটিই আমার মূল মনোযোগ। সময়টা এলে টেস্ট দল নিয়ে সামনে কী করা যায়, সে বিষয়ে নিশ্চয়ই আলোচনা হবে। নির্বাচকদের সঙ্গে এ নিয়ে কথা বলব।”

পাকিস্তানের পরবর্তী টেস্ট সিরিজ নভেম্বরে। ঘরের মাঠে দুই ম্যাচের সিরিজে শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে তারা।