১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

অস্ট্রেলিয়া থেকে অবসর নেওয়ার পর প্রথম টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরি হেনরিকেসের

অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটে ১৮ বছরের ক্যারিয়ারের ইতি টানার এক মাস পর টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে প্রথম শতরানের স্বাদ পেলেন ময়জেস হেনরিকেস।

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 21 Aug 2026, 02:40 PM

Updated : 11 Sep 2026, 03:52 PM

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ২৪ টি-টোয়েন্টি খেলার অভিজ্ঞতা আছে। ফ্র্যাঞ্চাইজি ও ঘরোয়া ক্রিকেট মিলিয়ে টি-টোয়েন্টিতে ম্যাচ খেলার সংখ্যা ছাড়িয়ে গেছে তিনশ। অবশেষে এই সংস্করণে প্রথম শতরানের স্বাদ পেলেন ময়জেস হেনরিকেস। সেটিও আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতেই। তবে অস্ট্রেলিয়ার জার্সিতে নয়, তার নতুন পরিচয়ে।

ক্রিকেট অনুসারীদের অনেকেরই জানা, সাবেক অস্ট্রেলিয়ান অলরাউন্ডার ক্যারিয়ারের নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন জন্মভূমি পর্তুগালের হয়ে। দলের অধিনায়কও তিনি। নিজের নতুন দলের হয়েই ৫১ বলে ১১১ রানের ইনিংসটি খেলেন ৩৯ বছর বয়সী ক্রিকেটার।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সাব রিজিওনাল ইউরোপ কোয়ালিফায়ার সি-তে চেক রিপাবলিকের বিপক্ষে বৃহস্পতিবার এই ইনিংসে ১২টি চার ও ৭টি ছক্কা মারেন হেনরিকেস।

৩০৪ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে তার আগের সর্বোচ্চ ছিল ৭৭। ২০১৫ সালে বিগ ব্যাশে ইনিংসটি খেলেছিলেন সিডনি সিক্সার্সের হয়ে। 

হেনরিকেসের ঝড়ো শতরানে ২০ ওভারে পর্তুগাল তোলে ২১১ রান। চেক প্রজাতন্ত্র ৮.৫ ওভারে ৫ উইকেটে ২৪ রান তোলার পর বৃষ্টিতে বন্ধ হয় খেলা। ডাকওয়ার্থ-লুইস-স্টার্ন পদ্ধতিতে ৯১ রানে জেতে পর্তুগাল।

অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটে হেনরিকেসের অভিষেক ২০০৬ সালের জানুয়ারিতে। শেফিল্ড শিল্ডে পা রাখেন ওই বছরের অক্টোবরে। একসময় দারুণ সম্ভাবনাময় অলরাউন্ডার মনে করা হতো তাকে। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি সেভাবে। ৪ টেস্ট, ১৬ ওয়ানডে ও ২৪ টি-টোয়েন্টিতে ক্যারিয়ার থমকে যায়।

ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টিতে বিগ ব্যাশে ১৫ মৌসুম খেলার পাশাপাশি তিনি আইপিএলে খেলেছেন আট মৌসুম। খেলেছেন টি-টোয়েন্টি ব্লাস্ট ও মেজর লিগ ক্রিকেটেও। 

গত মাসে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দেন হেনরিকেস। পর্তুগালের হয়ে তার খেলার ঘোষণা আসে দিন দশেক আগে। 

নতুন দলের হয়ে প্রথম ম্যাচটি খেলেন গত ১৪ অগাস্ট। ইসরায়েলের বিপক্ষে সেদিন অপরাজিত থাকেন ৩৯ বলে ৬৬ রানে। পরের ম্যাচে জার্মানির পিক্ষে আউট হয়ে যান ১ রানে। এরপর এই সেঞ্চুরি। তার দল জিতেছে তিনটি ম্যাচই।