১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

৭ ছক্কায় মিশারার সেঞ্চুরি, ৫ ছক্কায় হৃদয়ের অপরাজিত ৫৪

এক সেঞ্চুরি ও দুই ফিফটিতে বিশাল পুঁজি গড়েছে জাফনা কিংস।

৭ ছক্কায় মিশারার সেঞ্চুরি, ৫ ছক্কায় হৃদয়ের অপরাজিত ৫৪
তাওহিদ হৃদয়। ছবি: জাফনা কিংস ফেইসবুক

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 05 Aug 2026, 06:15 PM

Updated : 11 Sep 2026, 03:47 PM

ষোড়শ ওভারের মধ্যে কামিল মিশারা সেঞ্চুরি করে ফেললেন ৪৯ বলে। শেষ চার ওভারে তিনি খেলতে পারলেন কেবল পাঁচ বল। এই সময়ে ঝড় তুললেন তাওহিদ হৃদয়। বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে ফিফটি করলেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যান।

লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগের (এলপিএল) প্রথম কোয়ালিফায়ারে বুধবার গল গ্যালান্টসের বিপক্ষে ২০ ওভারে ২ উইকেটে ২৪২ রানের পুঁজি গড়েছে জাফনা কিংস।

শ্রীলঙ্কার এই ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ এটিই। আগের সর্বোচ্চও ছিল জাফনা কিংসের, ২০২২ সালে ডাম্বুলা অরার বিপক্ষে ২৪০। 

১০ চার ও সাত ছক্কায় ৫৫ বলে অপরাজিত ১০৮ রানের ইনিংস খেলেন ওপেনার মিশারা। চার নম্বরে পাঁচ ছক্কা ও তিন চারে ২১ বলে ৫৪ রানে অপরাজিত থাকেন হৃদয়।

তিন নম্বরে খাওয়াজা নাফে তিন ছক্কা ও চারটি চারে ৩২ বলে করেন ৫৪।

কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে পঞ্চম ওভারে আভিশকা ফার্নান্দোকে (১৪ বলে ১৯) হারায় জাফনা। মিশারা ও নাফে বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে এগিয়ে নেন দলকে।

দ্বিতীয় উইকেটে ৬৬ বলে ১৩৮ রানের বিস্ফোরক জুটি গড়েন এই দুজন। পাকিস্তানের ব্যাটসম্যান নাফে ৩০ বলে ফিফটি করার পর বিদায় নিলে ভাঙে বড় জুটি।

মিশারা পঞ্চাশ স্পর্শ করেন ৩১ বলে। সেখান থেকে তিন অঙ্ক ছুঁতে তার লাগে কেবল ১৮ বল। ৯৭ থেকে চার মেরে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ২৫ বছর বয়সী বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। 

হৃদয় প্রথম চার বলে করতে পারেন ৩ রান। এরপরই থারিন্দু রাত্নায়াকেকে ছক্কায় ডানা মেলেন তিনি। 

শেষ দুই ওভারে তিনি তাণ্ডব চালান। ১৯তম ওভারে ইশান মালিঙ্গাকে মারেন পরপর দুটি ছক্কা। শেষ ওভারে দাসুন শানাকার প্রথম বলেও হাঁকান ছক্কা। চতুর্থ ও পঞ্চম বলে ছক্কা ও চারে ফিফটি পূর্ণ করেন তিনি ২০ বলে। শেষ বলে মারেন আরেকটি চার। 

এই ওভারে আসে ২২ রান। শেষ দুই ওভারে মিশারা খেলতে পারেন কেবল এক বল।

২৮ বলে অবিচ্ছিন্ন ৬৯ রানের জুটি গড়েন দুজন, যেখানে হৃদয়ের অবদানই ৫৪। 

এবারের আসরে চার ম্যাচ খেলে হৃদয়ের প্রথম ফিফটি এটি। চার ম্যাচের তিনটিতেই তিনি অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন। 

জাফনার হয়ে খেলছেন বাংলাদেশের আরেক ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানও।