সাদা বলের ক্রিকেটে ভারতকে ‘মানদণ্ড’ মানছেন পাকিস্তান কোচ
ভারতের পর্যায়ে পৌঁছানোকে পাকিস্তানের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন মাইক হেসন।
ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি, দুই সংস্করণেই র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে ভারত। সাদা বলের ক্রিকেটে দলটির শক্তি-সামর্থ্যের প্রমাণ মেলে এখানেই। সীমিত ওভারের খেলায় ভারতকে মানদণ্ড মানেন পাকিস্তানের প্রধান কোচ মাইক হেসনও। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের পর্যায়ে পৌঁছানোকে পাকিস্তানের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন তিনি।
জাপানে চলমান এশিয়ান গেমসের পুরুষদের ক্রিকেট ইভেন্টের ফাইনালে মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ভারত-পাকিস্তানের। প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে দেশ ছাড়ার আগে সম্ভাব্য সেই লড়াই নিয়ে কথা বলেন হেসন। আর তখনই ভারতের ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি।
ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে অনেক দিন ধরেই আগের মতো সেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা যায় না। বেশিরভাগ লড়াইয়েই আধিপত্য থাকে ভারতের। পরিসংখানেও ফুটে ওঠে সেটা।
টি-টোয়েন্টিতে ভারতের বিপক্ষে সবশেষ ছয় ম্যাচেই হারের তেতো স্বাদ পেয়েছে পাকিস্তান। গত বছরের এশিয়া কাপে তিনবার মুখোমুখি হয় দল দুটি। সেখানে সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচটি ছিল ফাইনাল।
এশিয়ান গেমস ক্রিকেটের ফাইনালে উঠতে কোয়ার্টার-ফাইনাল ও সেমি-ফাইনালের বাধা অতিক্রম করতে হবে পাকিস্তান ও ভারতকে। তাই এখন শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ নিয়ে ভাবছেন না।
“সাদা বলের ক্রিকেটে এই মুহূর্তে ভারতই মানদণ্ড। তাদের পর্যায়ে পৌঁছানোই আমাদের চ্যালেঞ্জ। আমরা সাধ্যমতো প্রস্তুতি নিচ্ছি, যাতে ভারতের মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ পেলে তাদেরকে চাপে ফেলতে পারি, যেমনটা এশিয়া কাপের ফাইনালে পেরেছিলাম। তবে ফাইনালে ওঠার আগে দুই দলেরই অনেক ক্রিকেট খেলা বাকি। তাই এখনই বেশি দূর ভাবছি না।”
এশিয়ান গেমসের জন্য ভারতের মতো পূর্ণ শক্তির দল সাজায়নি পাকিস্তান। সাহিবজাদা ফারহানের নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন খেলোয়াড়কে ছাড়াই সেখানে লড়বে তারা। তবে এই দল নিয়েও ভালো কিছু করতে আশাবাদী হেসন।
“এটা এখনও ভারসাম্যপূর্ণ ও আক্রমণাত্মক একটি দল। এশিয়ান গেমস নতুন ও প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের নিজেদের সামর্থ্য দেখানোর দারুণ মঞ্চ। সাহিবজাদা ফারহানের জন্যও এটি অধিনায়কত্বের অভিজ্ঞতা অর্জনের চমৎকার একটি সুযোগ।”
