১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

স্টেডিয়ামের বাইরে বল পাঠিয়ে মজা পেয়েছেন ডেভিড

২৫ বলে ৭০ রানের বিধ্বংসী ইনিংসের পথে ৮ ছক্কার একটিতে বল স্টেডিয়ামের ছাদের ওপর দিয়ে বাইরে পাঠিয়ে দেন টিম ডেভিড।

স্টেডিয়ামের বাইরে বল পাঠিয়ে মজা পেয়েছেন ডেভিড
টিম ডেভিডের উদযাপন। ছবি: রয়টার্স।

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 06 Apr 2026, 11:35 AM

Updated : 26 Aug 2026, 03:18 PM

টিম ডেভিড তখন দানবীয় রূপে আছেন যেন। একের পর এক ছক্কা মেরে চলেছেন। এর মধ্যে একটি শটে বল উড়ে উড়ে চলে গেল স্টেডিয়ামের ছাদের ওপর দিয়ে মাঠের বাইরে! ডেভিড নিজেও সেদিকে তাকিয়ে চোখ কচলে দেখার ভঙ্গি করলেন, যেন নিজেও বিশ্বাস করতে পারছেন না। তার প্রতিক্রিয়াতেও বোঝা যাচ্ছিল, বেশ মজা পাচ্ছেন। ম্যাচের পরে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর ব্যাটসম্যান সেটি বললেনও।

আইপিএলে রোববার চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে শেষ দিকে তাণ্ডব চালান ডেভিড। ১৫তম ওভারে ক্রিজে গিয়ে ২৫ বলে ৭০ রানের ইনিংস উপহার দেন বেঙ্গালুরুর অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যান। পঞ্চদশ ওভারে ক্রিজে যাওয়া ব্যাটসম্যানদের মধ্যে যা রেকর্ড। এর মধ্যে ডেথ ওভারেই (১৭ থেকে ২০) রান করেন তিনি ৬৮। এটিও আইপিএলে রেকর্ড।

এই ইনিংসের পথে ৮টি ছক্কা মারেন ডেভিড। ১৯তম ওভারে জেমি ওভারটনের ওভারে ৩০ রান নেওয়ার পথে ছক্কা মারেন ৪টি। এর শেষটিতেই অসুরের শক্তিতে পুল শটে বল পাঠিয়ে দেন তিনি স্টেডিয়ামের বাইরে।

ম্যান অব দা ম্যাচ হওয়ার পর ১০৬ মিটার লম্বা সেই ছক্কা নিয়ে ডেভিড বললেন, অনুশীলনে তারা এসব শটের চেষ্টা করে থাকেন।

“(অনুশীলনে) আমরা প্রতিযোগিতা করে থাকি ছাদের ওপরে বল পাঠাতে। তখন অবশ্য এক প্রান্তের উইকেটগুলোতে খেলে থাকি আমরা। ম্যাচের সময় মাঝ উইকেট থেকে এরকম কিছু করতে পারা তাই সত্যিই সন্তুষ্টির।”

ম্যাচের পর একগাদা পুরস্কার পেয়েছেন টিম ডেভিড। ছবি: রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু।

ম্যাচের পর একগাদা পুরস্কার পেয়েছেন টিম ডেভিড

“জেমি (ওভারটন) তখন বেশ দ্রুতগতিতে বল করছিল। এটাও সহায়তা করেছে বল ছাদের ওপরে পাঠানো। বেশ মজা পেয়েছি।”

ডেভিড কৃতিত্ব দিলেন বেঙ্গালুরুর সহকারী কোচ দিনেশ কার্তিককে। বেঙ্গালুরুর হয়ে একসময় ফিনিশারের ভূমিকা ছিল কার্তিকের। এখন তিনি কোচ। তার সঙ্গে কাজ করে উপকৃত হচ্ছেন ডেভিড। 

“ডিকের (কার্তিক) সঙ্গে কাজ করতে পারাটা আমার জন্য অনেক সৌভাগ্যের। এই ধরনের কন্ডিশন ও পরিস্থিতিতে নিঃসন্দেহে তিনি অত্যন্ত অভিজ্ঞ একজন। আমরা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কাজ করছি। তবে মৌলিক বিষয়গুলো ধরে রাখতেই গয়, যেগুলোর ওপর ভিত্তি করে শক্তিটা গড়ে ওঠে এবং তারপর সেগুলোকে আরও উন্নত করার চেষ্টা করতে হয়।”

“বেশ কবছর ধরেই তো আইপিএলে আছি। সেই প্রস্তুতি এবং যেুটুকু সময় মেলে, ভালো খেলার জন্য নিজের ওপর ততটা চাপ দেই না। চেষ্টা করি, ভালো দিনগুলোতে খেলাটা উপভোগ করতে। অবশ্যই কিছু খারাপ দিনও আসবে, খেলাটাই এমন।”

শেষ দিকে ডেভিডের সঙ্গে এ দিন বিধ্বংসী হয়ে ওঠেন অধিনায়ক রাজাত পাতিদারও (১৯ বলে ৪৮*)। শেষ ৫ ওভারে ৯৭ রান তুলে ২০ ওভারে ২৫০ রান করে বেঙ্গালুরু। পরে তারা ম্যাচ জিতে নেয় ৪৩ রানে।