Published : 31 Aug 2026, 03:49 PM
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে প্রথমবার তিন অঙ্কের উষ্ণ ছোঁয়া পাওয়ার খুব কাছে ছিলেন বৈভাব সুরিয়াভানশি। কিন্তু অল্পের জন্য সেই স্বাদ পাওয়া হলো না তার। তবে পঞ্চাশ ছোঁয়া ইনিংসটির পথে প্রায় পাঁচ যুগ পুরনো একটি রেকর্ড ভাঙলেন ভারতের বিস্ময়বালক।
ভারতের প্রথম শ্রেণির প্রতিযোগিতা দুলিপ ট্রফির সেমি-ফাইনালে সোমবার সেন্ট্রাল জোনের বিপক্ষে ৯২ রান করেন সুরিয়াভানশি। ইস্ট জোনের ওপেনার ৮১ বলের ইনিংসটি সাজান সাতটি করে ছক্কা ও চারে।
১৫ বছর ১৫৭ দিন বয়সে ইনিংসটি খেললেন সুরিয়াভানশি। দুলিপ ট্রফিতে ফিফটি করা সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার এখন তিনি।
এতদিন রেকর্ডটি ছিল লাক্সমান সিংয়ের। ৫৭ বছর আগে, ১৯৬৯ সালে ১৬ বছর ২৩ দিন বয়সে ফিফটি করেছিলেন তিনি। তালিকায় এখন তিনে পিয়ুষ চাওলা। ২০০৫ সালে ১৬ বছর ৩০৭ দিন বয়সে পঞ্চাশ স্পর্শ করেছিলেন তিনি।
ম্যাচের প্রথম দিন প্রতিপক্ষকে ২৬৬ রানে গুটিয়ে দিয়ে, দ্বিতীয় দিন ব্যাটিংয়ে নামে ইস্ট জোন। আভিমান্যু ইশ্বরনের সঙ্গে ইনিংস শুরু করতে নামেন সুরিয়াভানশি। প্রথম ওভারে সিঙ্গল নিয়ে রানের খাতা খোলা বাঁহাতি ব্যাটসম্যান দ্বিতীয় ওভারে ইয়াশ ঠাকুরকে মারেন দুটি চার।
চতুর্থ ওভার করতে আসা পেসার ইয়াশকে চারের পর ছক্কায় ওড়ান সুরিয়াভানশি। আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে রান বাড়াতে থাকা এই ব্যাটসম্যানকে ৪০ রানে ফেরানোর সুযোগ হাতছাড়া করে সেন্ট্রাল জোন। ক্যাচ দিয়েও বেঁচে যান সুরিয়াভানশি।
পঞ্চদশ ওভারের শেষ বলে সারানশ জৈনকে ছক্কায় উড়িয়ে ৪২ বলে ফিফটিতে পা রাখেন তিনি। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে রান বাড়িয়ে নব্বইয়ের ঘরে পৌঁছে যান সুরিয়াভানশি। তার সামনে সুযোগ ছিল দুলিপ ট্রফিতে সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে সেঞ্চুরি করার। শতক করতে পারলে সাচিন টেন্ডুলকারের ৩৬ বছরের পুরনো রেকর্ডটি ভেঙে দিতেন তিনি।
কিন্তু স্রেফ ৮ রানের জন্য সেটি পারেননি সুরিয়াভানশি। হার্শ দুবের বলে ছক্কার চেষ্টায় মিড উইকেট সীমানায় ধরা পড়ে আক্ষেপ নিয়ে ড্রেসিং রুমে ফেরেন তিনি।
১৯৯০-৯১ মৌসুমে ১৭ বছর ২৬২ দিন বয়সে ভারতের প্রথম শ্রেণির এই টুর্নামেন্টে সেঞ্চুরি করেন কিংবদন্তি টেন্ডুলকার। আপাতত তার রেকর্ড অক্ষতই আছে।