আব্বাসের তোপ সামলে কক্স ও স্মিথের ফিফটি
লর্ডস টেস্টের প্রথম দিনে খেলা হতে পারল কেবল ৫৬ ওভার, দারুণ বোলিংয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে পাকিস্তান।
সহায়ক কন্ডিশনে বল হাতে জ্বলে উঠলেন মোহাম্মাদ আব্বাস। দারুণ বোলিংয়ে তিনি কাঁপিয়ে দিলেন ইংল্যান্ডের টপ অর্ডার। চাপের মুখে ফিফটি করে দলকে উদ্ধার করলেন জর্ডান কক্স ও জেমি স্মিথ।
লর্ডস টেস্টের প্রথম দিনে খেলা হতে পারে কেবল ৫৬ ওভার, দারুণ বোলিংয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে আছে পাকিস্তান।
এক পর্যায়ে ১২০ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলে ইংল্যান্ড। সেখান থেকে দিন শেষ করে তারা ৯ উইকেটে ২৪৮ রানে।
তিন নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে সাত চারে ১০৫ বলে ৫৫ রান করেন কক্স। সাত নম্বরে স্মিথ ১০ চারে ৮০ বলে করেন ৬১ রান।
ইংলিশ অধিনায়ক জো রুটসহ গুরুত্বপূর্ণ চারটি উইকেট নেন আব্বাস। আরেক পেসার মোহাম্মাদ আলির শিকার তিনটি।
তিনটি ক্যাচ না ফেললে আরও ভালো অবস্থানে থাকতে পারত সফরকারীরা।
বৃষ্টির কারণে ম্যাচ শুরু হয় দেরিতে। স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে মেঘলা আকাশের নিচে টস জিতে বোলিং নেন চোট কাটিয়ে ফেরা পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম। তাকে জায়গা দিতে বাদ পড়েন লিডসে ইনিংস ব্যবধানে হারা প্রথম টেস্টে অধিনায়কত্ব করা সালমান আলি আগা।
বিধ্বংসী প্রথম স্পেলে পরপর দুই ওভারে আব্বাস ফিরিয়ে দেন দুই ওপেনার এমিলিও গে ও বেন ডাকেটকে। মাঝে এক ওভার বিরতি দিয়ে রুটকেও বিদায় করেন তিনি। লেগ স্টাম্পের বাইরের ডেলিভারিতে গে ধরা পড়েন কিপারের হাতে। অন্য দুজন হন এলবিডব্লিউ।
৩৬ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলে ইংল্যান্ড।
শুরুটা ভালো করলেও ইনিংস টেনে নিতে পারেননি হ্যারি ব্রুক। লাঞ্চ বিরতির আগে তাকে ১৫ রানে বোল্ড করে দেন আলি। বিরতির পর ড্যান লরেন্স বিদায় নেন রান আউটে। তখন অল্পে গুটিয়ে যাওয়ার চোখ রাঙানি ইংল্যান্ডের সামনে।
সেখান থেকে প্রতিরোধ গড়েন কক্স ও স্মিথ। চা বিরতির আগে আর কোনো উইকেট হারায়নি ইংল্যান্ড। ৮৮ বলে ফিফটি করেন কক্স। ৬৩ বলে পঞ্চাশ পূর্ণ করেন স্মিথ।
তৃতীয় সেশনে কয়েকটি উইকেট তুলে নেয় পাকিস্তান।
বদলি ফিল্ডার সালমানের দারুণ ক্যাচে কক্সকে ফিরিয়ে ৬৭ রানের ষষ্ঠ উইকেট জুটি ভাঙেন খুররাম শাহজাদ। আলি একই ওভারে বোল্ড করে দেন স্মিথ ও অলি রবিনসনকে। আর্চারকে ফিরিয়ে চতুর্থ উইকেটের দেখা পান আব্বাস।
আলোকসল্পতায় আগেভাগে দিনের খেলা শেষ হওয়ার সময় পাঁচ চারে ২৭ বলে ৩৪ রানে অপরাজিত থাকেন গাস অ্যাটকিনসন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
ইংল্যান্ড ১ম ইনিংস: ৫৬ ওভারে ২৪৮/৯ (ডাকেট ১৭, গে ৮, কক্স ৫৫, রুট ৪, ব্রুক ১৫, লরেন্স ১৭, স্মিথ ৬১, অ্যাটকিনসন ৩৪*, রবিনসন ০, আর্চার ১৪, টাং ১*; আব্বাস ১৫-৩-৫৬-৪, শাহজাদ ১৫-০-৭৯-১, আলি ১৭-২-৬৭-৩, উসমান ৯-১-৩৪-০)
