সাকিবের আঁটসাঁট বোলিং
ফিল্ডারের ব্যর্থতায় উইকেট পাননি তারকা অলরাউন্ডার।
আগের ম্যাচে দুর্দান্ত বোলিং করা সাকিব আল হাসান এবারও ছড়ালেন আলো। বাঁহাতি স্পিনিং অলরাউন্ডার ওভারপ্রতি দিলেন পাঁচ করে রান। কিন্তু ফিল্ডারের ব্যর্থতায় উইকেটের স্বাদ পেলেন না এমআই এমিরেটসের এই তারকা।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ আইএল টি-টোয়েন্টিতে মঙ্গলবার গাল্ফ জায়ান্টসের বিপক্ষে ২ ওভার বোলিং পান সাকিব। একটি ছক্কা হজম করলেও রান দেন কেবল ১০। তার ১২ ডেলিভারির সাতটিতেই আসেনি কোনো রান।
ব্যর্থতার জাল ছিঁড়ে গত রোববার ডেজার্ট ভাইপার্সের বিপক্ষে ৪ ওভারে স্রেফ ১৪ রান দিয়ে দুই শিকার ধরেন সাকিব। পরে ১৭ রান করে দলের জয় সঙ্গে নিয়ে ফেরেন তিনি। অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে জেতেন ম্যাচ-সেরার পুরস্কার।
আবু ধাবির জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এদিন টস জিতে ফিল্ডিং নেওয়া এমিরেটস প্রথম ওভারেই আক্রমণে আনে সাকিবকে। প্রথম দুই বল ডট দেওয়া স্পিনারের তৃতীয় ডেলিভারিতে মিডউইকেট দিয়ে ছক্কায় ওড়ান রাহমানউল্লাহ গুরবাজ। শেষ তিন বলে আসে দুই রান।
পাওয়ার প্লে শেষে আবার বল হাতে পান সাকিব। এবার প্রথম বলে উইকেট পেতে পারতেন তিনি। কিন্তু ডিপ মিডউইকেটে মইন আলির সহজ ক্যাচ নিতে পারেননি মুহাম্মাদ ওয়াসিম। নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ওই ওভারে স্রেফ দুই রান দেন সাকিব।
৫ রানে জীবন পাওয়া মইন পরে টানেন জায়ান্টসকে। ইংলিশ স্পিনিং অলরাউন্ডার শেষ ওভারে আউট হন দুটি করে ছক্কা-চারে ৪৮ বলে ৫১ রান করে।
মইনের পঞ্চাশ ছোঁয়া ইনিংসের সৌজন্যেই ৬ উইকেটে ১৪১ রান করতে পারে জায়ান্টস। সাকিবদের চমৎকার বোলিংয়ে দলটির আর কেউ ৩০ রানও করতে পারেননি।
এমিরেটসের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন রোমারিও শেফার্ড ও ফাজালহাক ফারুকি। একটি করে প্রাপ্তি জাহুর খান ও আরাব গুলের।
