১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে হাসপাতাল ছেড়ে বাসায় অস্ট্রেলিয়ান গ্রেট মার্টিন

ডেমিয়েন মার্টিনকে বাসায় নিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন তার দীর্ঘ দিনের সতীর্থ ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু অ্যাডাম গিলক্রিস্ট।

মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে হাসপাতাল ছেড়ে বাসায় অস্ট্রেলিয়ান গ্রেট মার্টিন
ডেমিয়েন মার্টিন। ফাইল ছবি।

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 08 Jan 2026, 04:27 PM

Updated : 26 Aug 2026, 05:31 PM

জীবন বাঁচানোর লড়াইয়ে উন্নতি করে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ডেমিয়েন মার্টিন। অস্ট্রেলিয়ান এই ব্যাটিং গ্রেটকে বাসায় নিয়ে যাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন তার দীর্ঘ দিনের সতীর্থ ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু অ্যাডাম গিলক্রিস্ট।

মেনিনজাইটিসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৬ ডিসেম্বর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন ৫৪ বছর বয়সী মার্টিন। পরে তাকে গোল্ড কোস্টের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

অবস্থা ভীষণ গুরুতর হওয়ায় মার্টিনকে তখন ‘ইনডিউসড কোমায় রাখা হয়।’ এটার মানে প্ররোচিত কোমা বা চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ওষুধের মাধ্যমে অচেতন রাখা। অবস্থার উন্নতি হওয়ায় সপ্তাহখানেক পর তাকে কোমা থেকে বের করে আনা হয়।

আরও কয়েকদিন হাসপাতালে কাটানোর পর এখন বাসায় ফিরেছেন মার্টিন। গিলক্রিস্ট জানিয়েছেন, সেরে ওঠার বাকি লড়াইটা বাসায় থেকেই করবেন তার বন্ধু।

“ডেমিয়েম মার্টিন এখন বাসায়। সে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে এবং সেরে ওঠার পথে অসাধারণ উন্নতি করেছে। এই যাত্রায় তার আরও কিছুটা পথ পাড়ি দিতে হবে এবং কিছু কাজ করতে হবে। তবে সৌভাগ্যক্রমে, তাকে বাসায় যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে এবং সেখানে থেকেই পুরোপুরি সেরে উঠতে পারবে।”

মেনিনজাইটিস হলো মস্তিষ্ক বা সুষুম্নাকাণ্ডের আবরণীর প্রদাহ বা মস্তিষ্ক-ঝিল্লীর প্রদাহ। খুবই গুরুতর রোগ এটি, যা ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক বা পরজীবীর সংক্রমণের কারণে ঘটে। 

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৬৭ টেস্ট খেলে ৪৬.২৭ গড়ে ৪ হাজার ৪০৬ রান করেছেন মার্টিন। সেঞ্চুরি করেছেন ১৩টি, ফিফটি ২৪টি। ২০৮ ওয়ানডে খেলে ৪০.৮০ গড়ে করেছেন ৫ হাজার ৩৪৬ রান। এই সংস্করণে শতরান ৫টি, অর্ধশত ৩৭টি। ক্যারিয়ারের শেষ পর্যায়ে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটও কিছুটা পেয়েছেন। ইতিহাসের প্রথম আন্তর্জাদিক টি-টোয়েন্টিতে খেলেছেন। চারটি ম্যাচ খেলেছেন এই সংস্করণে।

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে মার্টিন জিতেছেন ১৯৯৯ ও ২০০৩ বিশ্বকাপ। ১৯৯৯ আসরে তেমন কিছু করতে না পারলেও ২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার শিরোপা জয়ের নায়কদের একজন ছিলেন তিনি।