Published : 06 Sep 2026, 10:05 PM
খুব বড় ইনিংস কেউ খেলতে পারলেন না, তবে সম্মিলিত অবদানে দক্ষিণ আফ্রিকা পেল ২০০ ছাড়ানো সংগ্রহ। জিম্বাবুয়ে পারল না লড়াই জমাতেই। অনায়াস জয়ে ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজে চ্যাম্পিয়ন হলো প্রোটিয়ারা।
নামিবিয়ার উইন্ডহুকে রোববার ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার জয় ৪৮ রানে।
টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ২০ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকা করে ৫ উইকেটে ২০৫ রান।
জবাবে ৬১ রানেই ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলে জিম্বাবুয়ে। আট নম্বরে ব্র্যাড ইভান্সের ফিফটিতে ১৫৭ পর্যন্ত যেতে পারে তারা।
মূল অধিনায়কসহ নিয়মিত ক্রিকেটারদের অনেককে বিশ্রাম দিয়ে এই সফরে যাওয়া দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম ম্যাচে হেরে যায় নামিবিয়ার কাছে। এরপর তারা জিতল টানা চার ম্যাচ, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিনবারই জিতল অনায়াসে।
পরপর দুই ম্যাচে ৯৪ ও ১০০ রান করা লুয়ান-ড্রে প্রিটোরিয়াসকে ফাইনালে পায়নি দক্ষিণ আফ্রিকা, কুঁচকির চোটে ভুগছেন এই ওপেনার।
তবে উদ্বোধনী জুটির নতুন সঙ্গী জর্ডান হেরমানকে নিয়ে আবারও দলকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন কনর এস্তেহেইজেন। ৪৭ বলে ৮৪ রানের জুটি গড়েন দুজন।
আগের ম্যাচে ৮৮ রান করা এস্তেহেইজেন এবার করেন ২৩ বলে ৩২। প্রথম টি-টোয়েন্টি ফিফটিতে ২৯ বলে দলের সর্বোচ্চ ৫৩ রান করেন জর্ডান।
টনি ডি জর্জি বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি (১১ বলে ১৭। দুটি করে চার ও ছক্কায় ২৩ বলে ৩২ রান করেন ডেওয়াল্ড ব্রেভিস।
জর্ডান হেরমানের ভাই রুবিন হেরমান পাঁচ নম্বরে নেমে ২৭ রানের ক্যামিও খেলেন ১৬ বলে। আর ডুয়ান ইয়ানসেনের ১৩ বলে অপরাজিত ২৩ রানের সুবাদে দুইশ ছাড়ায় দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ।
বড় লক্ষ্য তাড়ায় শুরু থেকে নিয়মিত উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। প্রথম চার জনের কেউ দুই অঙ্কে যেতে পারেননি। প্রথম চার ওভারের মধ্যে ২৫ রানে হারায় ৪ উইকেট।
একশর আগেই গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় পড়া দলের পরাজয়ের ব্যবধান কমান ইভান্স। নবম উইকেটে কুন্দাই মাতিগিমুর সঙ্গে ২৮ বলে ৫২ রানের ইনিংস সেরা জুটি গড়েন তিনি।
প্রথম ফিফটিতে শেষ পর্যন্ত ৩১ বলে ৫৬ রানে অপরাজিত থাকেন ইভান্স। চারটি করে চার ও ছক্কা মারেন তিনি।
দক্ষিণ আফ্রিকার ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক বিয়ন ফোরটান চার ওভারে ২৪ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট। ইয়ানসেনও নেন ৩ উইকেট, ৩৮ রানে।
এখন নামিবিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে দক্ষিণ আফ্রিকা।