১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪ আশ্বিন ১৪৩৩

৯ ছক্কায় ৩৭ বলে ৯৩ করে প্রিয়ানশ বললেন, ‘ছক্কার অনুশীলন করি না’

পাঞ্জাব কিংসের বিধ্বংসী ওপেনার বললেন, ছক্কা মারা নিয়ে আলাদা করে কাজ করেন না তিনি।

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 20 Apr 2026, 11:24 AM

Updated : 26 Aug 2026, 03:27 PM

৩৭ বলে ৯৩ রানের ইনিংসে ছক্কা মেরেছেন ৯টি। চলতি মৌসুমে ৫ ম্যাচে ২০ ছক্কা হয়ে গেছে। অনায়াসে ছক্কা মারার দক্ষতা দিয়েও নজর কেড়েছেন। সেই প্রিয়ানশ আরিয়ার দাবি, ছক্কার অনুশীলনই নাকি সেভাবে করেন না তিনি!

আইপিএলের গত মৌসুমে অভিষেক আসরেই নজর কেড়েছিলেন প্রিয়ানশ। ৪৭৫ রান করেছিলেন প্রায় ১৮০ স্ট্রাইক রেটে। সেবার ২৫টি ছক্কা মেরেছিলেন ১৭ ইনিংসে। এবার ৫ ম্যাচেই যত ছক্কা মেরেছেন, নিশ্চিতভাবেই গত মৌসুমকে ছাপিয়ে এগিয়ে যাবেন আরও।

গত ১১ এপ্রিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে ২০ বলে ৫৭ রানের ইনিংসে ছক্কা মেরেছিলেন তিনি ৫টি। এর আগের ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে ১১ বলে ৩৯ রানের ক্যামিওতে ছক্কা ছিল ৪টি। লাক্ষ্নৌ সুপার জায়ান্টসের বিপক্ষে রোববার ৯ ছক্কা তার আইপিএল ক্যারিয়ারে এখনও পর্যন্ত যৌথভাবে সর্বোচ্চ।

গত মৌসুমে চেন্নাইয়ের বিপক্ষে ৪২ বলে ১০৩ রানের ইনিংসে ছক্কা মেরেছিলেন ৯টি। আইপিএলে পা রাখার আগে সৈয়দ মুশতাক আলি ট্রফিতে দিল্লির হয়ে উত্তর প্রদেশের বিপক্ষে ৪৩ বলে ১০২ রানের ইনিংসে ছক্কা ছিল ১০টি।

ছক্কার প্রতি তার অনুরাগ তো বোঝাই যাচ্ছে। কিন্তু লাক্ষ্নৌর বিপক্ষে ম্যাচের পর যখন তাকে জিজ্ঞেস করা হলো, ছক্কা নিয়ে তার প্রস্তুতি কেমন থাকে, ২৪ বছর বয়সী ওপেনার শোনালেন ভিন্ন কথা। 

“নাহ, আমি ছক্কা মারার অনুশীলন তেমন একটা করি না। স্রেফ চেষ্টা করি, যতটা সম্ভব বলে টাইমিং করতে, এটিই আমাকে সহায়তা করে ব্যাটিংয়ে।”

এই সময়ের দাবি মিটিয়েই একদম শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন প্রিয়ানশ। অনেক ম্যাচেই তাই লম্বা সময় ক্রিজে থাকা হয় না তার। এই মৌসুমেই আগের ফিফটির ইনিংসে আউট হয়ে গেছেন তিনি পাওয়ার প্লে শেষ করেই। এই ইনিংসে ১৫তম ওভার পর্যন্ত ক্রিজে থাকতে পেরে তিনি দারুণ খুশি। 

“আজকে আমি পাওয়ার প্লের পরও কিছুটা ব্যাট করেছি এবং দলের জন্য যতটা সম্ভব অবদান রাখতে পেরেছি। এটা আমাকে অনেক তৃপ্তি দিয়েছে।”

এই ম্যাচে দ্বিতীয় উইকেটে ৮০ বলে ১৮২ রানের জুটি গড়েছেন তিনি কুপার কনোলির সঙ্গে। ৪৬ বলে ৮৭ রানের ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস খেলা কনোলি ম্যাচের মাঝবিরতিতে বলেন, ক্রিজে থাকার সময় কথা খুব একটা বলেন না প্রিয়ানশ।

প্রিয়ানশ নিজেও তা স্বীকার করে নিলেন। শোনালেন সেটির পেছনের কারণও। 

“বেশি কথা বলি না। বেশি কথা বললে অনেক বেশি ভাবনায় মাথায় ঢুকে যায়। বেশি কথা না বললেই আমার ভালো লাগে, পরিষ্কার মাথা নিয়ে খেলতে পারি।”

গত মৌসুমের চেয়ে এবার ব্যাটিংয়ে যেমন আরও আগ্রাসী ও ক্ষুরধার মনে হচ্ছে, তেমনি তার ফিটনেসেও উন্নতি চোখে পড়ার মতো। সেটির পেছনের কারণও তুলে ধরলেন প্রিয়ানশ। 

“আনান্দ স্যার ও বিরলা ভাইয়া, আমাদের ট্রেনার যারা, গত ছয় মাস ধরেই আমাদের সঙ্গে কাজ করছেন। তারা যে সূচিই দেন, আমি অনুসরণ করি এবং এটা আমার কাজে লেগেছে।”