Published : 07 Nov 2025, 09:44 PM
পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ডাকসু নির্বাচন ঘিরে যে আশা জাগানিয়া পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, সেদিকেই এখন সবার নজর।
স্বাধীন বাংলাদেশে অনিয়মিত হয়ে পড়া এ ছাত্র সংসদের সবশেষ ভোট হয় ২০১৯ সাল। তবে সেই সংসদের কার্যকারিতা নিয়ে রয়ে গেছে প্রশ্ন, ক্যাম্পাসে ফেরেনি শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ।
গবেষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মহিউদ্দিন আহমদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “জাতীয় রাজনীতিতে ছাত্র রাজনীতির প্রতিফলন অনেক বছরের ধারাবাহিকতা। স্বাধীন বাংলাদেশে যে কয়েকটা ডাকসু নির্বাচন হয়েছে, বিশেষ করে আশির দশক পর্যন্ত। নব্বইয়ের পরে তো সেই ধারাবাহিকতা বজায় থাকেনি।
“সবশেষ যে নির্বাচনটা হয়েছে, তাতেও খুব বেশি আশাবাদী হওয়ার মতো কিছু ঘটেনি। এবারের নির্বাচনে কী হবে, তা দেখার বিষয়।”
বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন, ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থান, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে ডাকসু বা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ। সে কারণেই ডাকসুকে কেউ কেউ দেখেন ‘দ্বিতীয় সংসদ’ হিসেবে।
১৯৭১ সালের দোসরা মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক বটতলায় স্বাধীন বাংলার প্রথম পতাকা উত্তোলন করা হয়। সেখানে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন ডাকসু নেতারা।
তবে স্বাধীন দেশে ডাকসু সেই লড়াকু বৈশিষ্ট্য খুব বেশি দিন ধরে রাখতে পারেনি। নিয়মিত নির্বাচন না হওয়ার কারণে ঝিমিয়ে পড়া ডাকসুর সবশেষ নির্বাচনেও প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটেনি বলে মনে করেন কেউ কেউ।
নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে ডাকসু নেতাদের অংশগ্রহণ থাকলেও পরবর্তী সময়ে ডাকসু যেন ঝিমিয়ে পড়ে।
ডাকসুর সাবেক ভিপি মাহমুদুর রহমান মান্না বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেছেন, “ডাকসু কেবল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নয়, এটি সারাদেশের ছাত্র সমাজের লড়াই-সংগ্রামের ইতিহাস।”
প্রায় ছয় বছর বাদে আগামী ৯ সেপ্টেম্বর যে ডাকসু নির্বাচন হতে যাচ্ছে, তা ‘স্বচ্ছ এবং গ্রহণযোগ্য’ হওয়াই সবার প্রত্যাশা বলে মনে করেন মান্না।
এবারের নির্বাচনে দলীয় অঙ্গ সংগঠনের বাইরে যারা আছেন, তাদেরই ভালো ফল করার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করেন মহিউদ্দিন আহমদ।
তিনি বলেন, “আমার মনে হয় এখন শিক্ষার্থীদের মধ্যে একটু অন্যরকম উপলব্ধির জায়গা তৈরি হয়েছে। সবাই হয়তো দলীয় লেজুড়বৃত্তির রাজনীতি পছন্দ করছে না। এবার ডাকসু নির্বাচনে আমরা হয়তো এমন কিছুর প্রতিফলন দেখতে পারি।
“এখন তো দল বলতে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী এবং নতুন দল হয়েছে এনসিপি। আমি জানি না তারা কতটা সুবিধা করতে পারবে? আমার তো মনে হয়, দলীয় অঙ্গ সংগঠনের বাইরে যারা আছেন, তাদের ভালো ফলাফল করার একটা সম্ভাবনা আছে।”
সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সূতিকাগার
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যাত্রা শুরুর পর থেকেই হলকেন্দ্রিক নানা ধরনের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সামাজিক কর্মযজ্ঞ পরিচালিত হয়েছে বলে জানান ডাকসুর সাবেক সাংস্কৃতিক সম্পাদক নাট্যব্যক্তি ম. হামিদ।
তিনি বলেন, “ডাকসুতে আমি সাংস্কৃতিক সম্পাদক হয়েছিলাম ৭২ সালে; তখনো হলকেন্দ্রিক বিভিন্ন সাংস্কৃতিক উৎসব হয়েছে। আমাদের সময়ই ‘অপরাজেয় বাংলা’ তৈরি করা হয়েছে।”
১৯৯১ সালে ডাকসুর একটি প্রকাশনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক আনিসুজ্জামান লিখেছিলেন, “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সঙ্গে তিনটি আবাসিক হল স্থাপিত হয়– মুসলিম হল, জগন্নাথ হল ও ঢাকা হল। হলগুলোই ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণকেন্দ্র।
“এগুলো ছিল একাধারে ছাত্রদের আবাসস্থল, সামাজিক-সাংস্কৃতিক কার্যকলাপের আশ্রয় এবং টিউটোরিয়াল-ব্যবস্থার ভিত্তিভূমি।”
তিনি বলেন, “শুরুতে ছাত্র সংখ্যা অধিক ছিল ঢাকা হলের। খেলাধুলায় এ হলের খুব নাম ছিল। জগন্নাথ হলের ছাত্র-সংসদের এক কৃতিত্ব ছিল নাট্যাভিনয়, আরেক কৃতিত্ব ছিল তাদের হল-বার্ষিকী ‘বাসন্তিকা’র সাহিত্যমূল্য।
“একথা এখন স্বীকার করা হয় যে, রবীন্দ্র-উত্তর বাংলা সাহিত্যে যে আধুনিকতা দেখা দেয়, তার সূচনা হয়েছিল ‘বাসন্তিকা’য়।”
ডাকসু যেভাবে
১৯২১ সালের ১ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। প্রথম দিকে হলকেন্দ্রিক ছাত্র সংসদ গঠন করা হলেও একে ‘ডাকসু’ নামে ডাকা হত না।
অধ্যাপক আনিসুজ্জামান লিখেছেন, “আমি যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হই, ১৯৫৩ সালে। তখন ডাকসুর নামও শুনিনি। কিছুকাল পরে শুনলাম।
“প্রবীণ শিক্ষকদের কারো কারো মুখে শুনেছি, স্যার এ এফ রহমানের উদ্যোগেই প্রত্যেক হলে ছাত্র-সংসদ গঠনের ব্যবস্থা হয়। রহমান সাহেব অক্সফোর্ডের ছাত্র ছিলেন, সেখানে ইউনিয়ন দেখে এসেছিলেন; আলীগড়ের শিক্ষক ছিলেন, সেখানেও ইউনিয়ন ছিল। সুতরাং কথাটা সত্য হতে পারে।”
আনিসুজ্জামানের লেখায় উঠে এসেছে, ১৯২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম হল সংসদ গঠিত হয়। প্রত্যেক হল থেকে তিনজন ছাত্র এবং একজন শিক্ষক আর উপাচার্যের মনোনীত একজন শিক্ষক এই নিয়ে হয় সংসদ। শিক্ষকদের মধ্যে একজন সংসদের সভাপতি হতেন। এরপর ১৯২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে প্রথমবারের মতো কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ গঠন করা হয়।
১৯৪৪-৪৫ শিক্ষাবর্ষে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নতুন গঠনতন্ত্র অনুমোদন করেন। এই গঠনতন্ত্রের অধীনে ১৯৪৫-৪৬ সালে উপাচার্য পদাধিকারবলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের সভাপতি হন। ছাত্রদের মধ্যে থেকে সহ-সভাপতি (ভিপি) হন আহমেদুল কবির এবং সাধারণ সম্পাদক (জিএস) হন সুধীর দত্ত।
পরের বছরও এই সংসদ থেকে যায়, তবে আহমেদুল কবির পদত্যাগ করায় সহ-সভাপতির দায়িত্ব পান ফরিদ আহমদ।
১৯৪৭-৪৮ সালে সহ-সভাপতি হন জগন্নাথ হলের অরবিন্দ বসু এবং সাধারণ সম্পাদক হন গোলাম আযম। এই সংসদও পরের বছরে থেকে যায় এবং এক সময়ে গোলাম আযমের বদলে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হন এ জেড খান।
১৯৫০ সালে এই কার্যকালের মেয়াদ শেষ হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ গঠনের আর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
১৯৫৩ সালে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নতুন গঠনতন্ত্র অনুমোদন করে; নামকরণ করা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ বা Dhaka University Central Students' Union (DUCSU)। নামের আদ্যক্ষর দিয়ে শিক্ষার্থীদের মুখে ফেরে ডাকসু।
১৯৫৪ সালের জানুয়ারি মাসে নির্বাচন হয়। ওই বছর সলিমুল্লাহ মুসলিম হল থেকে কেন্দ্রীয় সংসদে নির্বাচিত হন এস এ বারী এ, টি, (পরে বাংলাদেশের উপ-প্রধানমন্ত্রী), আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ্ (কবি ও পরে বাংলাদেশের সচিব, মন্ত্রী ও রাষ্ট্রদূত)। এছাড়াও ছিলেন শাফাত আহমদ চৌধুরী, ফরিদউদ্দীন আহমদ, সৈয়দ আবদুল কাদের ও ফরিদা বারী মালিক।
আনিসুজ্জামান লিখেছেন, বারী ও ওবায়দুল্লাহর মধ্যে কে সহ-সভাপতি হবেন, এ নিয়ে অনেক আলাপ আলোচনা হয়। বারীই সহ-সভাপতি হন। ততদিনে ডক্টর জেনকিন্স উপাচার্য হিসেবে যোগ দিয়েছেন, তিনিই সভাপতি।
এছাড়া ডাকসুর সহ-সভাপতি হয়েছিলেন নীরদ নাগ, রাশেদ খান মেনন, তোফায়েল আহমদ, আ স ম আবদুর রব, মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ও মাহমুদুর রহমান মান্না; যারা পরে জাতীয় রাজনীতিতেও সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন।
প্রথম প্রত্যক্ষ নির্বাচন ৭০ সালে
শুরু থেকেই ডাকসুতে পরোক্ষ নির্বাচন হত। হল সংসদে নির্বাচিতরাই পরে কেন্দ্রীয় সংসদ নির্বাচিত করতেন। আনিসুজ্জামান লিখেছেন– “পরোক্ষ নির্বাচন-প্রথার বদলে ডাকসুতে প্রত্যক্ষ নির্বাচন চালু হলো ১৯৭০ সালে। ১৯৭৩ সালে ডাকসুর গঠনতন্ত্রে আরেক দফা পরিবর্তন হয়েছে।”
ডাকসুর সাবেক ভিপি মাহমুদুর রহমান মান্না বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “রব ভাইয়ের সময় (আ স ম আবদুর রব) প্রথম ডাকসুতে প্রত্যক্ষ নির্বাচন শুরু হয়েছে। ওই মেয়াদে সহসভাপতি হন রব ভাই এবং জিএস (সাধারণ সম্পাদক) হন আব্দুল কুদ্দুস মাখন।”
ডাকসুর ইতিহাসে এখন পর্যন্ত দুজন ছাত্রী ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৬০-৬১ সেশনে বেগম জাহানারা আখতার এবং ১৯৬৭-৬৮ সেশনে মাহফুজা খানম এ দায়িত্বে ছিলেন।
স্বাধীনতার পর ডাকসুতে প্রথম ভিপি হন মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম; জিএস হন মাহবুব জামান।
১৯৭৪ থেকে ১৯৭৮ এবং ১৯৮২ থেকে ১৯৮৮ পর্যন্ত ডাকসুর নির্বাচন হয়নি। ১৯৮৯-৯০ সালে ডাকসুতে ভিপি হন সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদ, জিএস হন মুশতাক হোসেন। ১৯৯০-৯১ সালে ভিপি হন আমানউল্লাহ আমান এবং জিএস হন খায়রুল কবির খোকন।
|
সেশন |
ভিপি |
ছাত্র সংগঠন |
জিএস |
ছাত্র সংগঠন |
|
১৯৭০-৭১ |
আ স ম আবদুর রব |
ছাত্রলীগ |
আব্দুল কুদ্দুস মাখন |
ছাত্রলীগ |
|
১৯৭২-৭৩ |
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম |
ছাত্র ইউনিয়ন |
মাহবুব জামান |
ছাত্র ইউনিয়ন |
|
১৯৭৯-৮০ |
মাহমুদুর রহমান মান্না |
জাসদ ছাত্রলীগ |
আখতারুজ্জামান |
বাসদ ছাত্রলীগ |
|
১৯৮০-৮১ |
মাহমুদুর রহমান মান্না |
জাসদ ছাত্রলীগ |
আখতারুজ্জামান |
বাসদ ছাত্রলীগ |
|
১৯৮২-৮৩ |
আখতারুজ্জামান |
বাসদ ছাত্রলীগ |
জিয়া উদ্দীন আহমেদ বাবলু |
বাসদ ছাত্রলীগ |
|
১৯৮৯-৯০ |
সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদ |
ছাত্রলীগ |
মুশতাক হোসেন |
জাসদ ছাত্রলীগ |
|
১৯৯০-৯১ |
আমানউল্লাহ আমান শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি (ভারপ্রাপ্ত-১৯৯২) |
ছাত্রদল |
খায়রুল কবির খোকন |
ছাত্রদল |
|
২০১৯-২০ |
নুরুল হক নুর |
ছাত্র অধিকার পরিষদ |
গোলাম রব্বানী |
ছাত্রলীগ |
এখন পর্যন্ত ৩৭ বার ডাকসু নির্বাচন হয়েছে। সর্বশেষ ২০১৯ সালের নির্বাচনে সহ-সভাপতি হন সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নুরুল হক নুর এবং সাধারণ সম্পাদক হন ছাত্রলীগের গোলাম রাব্বানী।
স্বাধীনতার পর থেকে ডাকসু নির্বাচন নিয়ে একধরনের অনীহাও পরিলক্ষিত হয়, যার ফলে ১৯৭১ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত ১৯ বার নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও মাত্র ৭ বার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৯৯১ সালের ১৮ জুন ডাকসু নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ওই সময় সহিংসতার কারণে নির্বাচন বন্ধ হয়ে যায়। ১৯৯৪ ও ১৯৯৫ সালে উপাচার্য এমাজউদ্দীন আহমদ ডাকসু নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছিলেন, কিন্তু পরে নির্বাচন হয়নি।
১৯৯৬ সালে অধ্যাপক এ কে আজাদ চৌধুরী উপাচার্য হওয়ার পর একাধিকবার ডাকসু নির্বাচনের সময়সীমা ঘোষণা করেছিলেন, কিন্তু তা বাস্তবায়িত হয়নি। ১৯৯৮ সালেও নির্বাচনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু সেটিও বাস্তবায়িত হয়নি। বিভিন্ন সময় ডাকসু নির্বাচনের দাবিতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনেও নেমেছেন।
২০০৫ সালে ডাকসু নির্বাচনের জন্য ডিসেম্বর মাসের মধ্যে তফসিল ঘোষণা করা হলেও সেবার নির্বাচন করা হয়নি। ২০১২ সাল থেকে ডাকসু নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন জোড়ালো হয়। এরপর নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত হয় ডাকসু নির্বাচন।
এর ছয় বছর বাদে যে নির্বাচন হতে যাচ্ছে তাতে ২৮টি পদে প্রার্থী হয়েছেন ৪৭১ জন। তাদের মধ্যে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বিভিন্ন বাম দলের অঙ্গ সংগঠনের প্রার্থী রয়েছেন, তেমনই ‘নির্দলীয়’ অনেকেই আছেন- যারা ইতোমধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছেন।