Published : 06 Sep 2025, 09:48 PM
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের ‘নিরপেক্ষতা’ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র সংসদের জিএস পদপ্রার্থী আবু বাকের মজুমদার।
কমিশনের বিরুদ্ধে ‘আচরণবিধি লঙ্ঘন হলেও ব্যবস্থা না নেওয়া’, ‘দুজনকে ভিপি-জিএস বানানোর কৌশল নেওয়া’ ও ‘ভোটে নারী শিক্ষার্থীদের নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে’ বলে অভিযোগ করছেন তিনি।
শনিবার বিকালে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “আমাদের আশঙ্কা ৯ সেপ্টেম্বর ঘিরে। নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যেই তাদের নিরপেক্ষতা হারিয়েছে। কারণ এখন পর্যন্ত যারাই আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছে, তাদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
“উনারা ৯ সেপ্টেম্বরে কোনো ‘কৌশলের’ অংশ হন কিনা সে প্রশ্ন সবার মনে উঠেছে। সেক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন যাদের বানানো হয়েছে, তারা নির্দিষ্ট একজনকে ভিপি বানাতে কাজ করছে। এছাড়া নির্দিষ্ট একজনকে জিএস বানাতে পরিকল্পনা চলছে।”
“তবে আশা করি তাদের পরিকল্পনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কখনো পূরণ হতে দিবে না। আমরা এটা নিয়ে সজাগ আছি,” বলেন এনসিপির ছাত্রসংগঠনের প্যানেলের এ জিএস প্রার্থী।
ভোটদানে নির্বাচন কমিশন ‘নারী প্রার্থীদের নিরুৎসাহিত করছে’ অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, “নারী প্রার্থীদের ভোটকেন্দ্রে নেওয়া চ্যালেঞ্জ ছিল না। কিন্তু নির্বাচন কমিশন চ্যালেঞ্জ বানিয়েছে।
“আমরা দেখেছি, শুরু থেকেই নারীদের ভোটে নিরুৎসাহ করা হচ্ছে। তার জন্য একটা মাস্টার প্ল্যান বানিয়ে নির্বাচন কমিশন কাজ করেছে। যারা নারীদের নিয়ে রাজনীতি করে না, তাদের কথা চিন্তা করে প্রায় ১৪ হাজার ভোটারের জন্য টিএসসিকে ভোট কেন্দ্র করেছে।”
জাতীয়তাবাদী মতাদর্শের শিক্ষকদের সংগঠন ‘সাদা দলকে’ নিয়ে বাকেরের অভিযোগ, “ক্যাম্পাসে এখন সাদা দলের আধিপত্য বেশি। এখানে বিএনপি ও জামায়াতপন্থী দুই ধরনের শিক্ষকই আছে। তারা ডাকসু নির্বাচন নিয়ে নানা পরিকল্পনা করার চেষ্টা করছে।”
নিজেদের প্যানেলের প্রচার নিয়ে তিনি বলেন, “মোটামুটি সব শিক্ষার্থীর কাছে ‘ওয়ান টু ওয়ান’ ‘রিচ’ করার চেষ্টা করছি। বিশেষ করে প্রতিটি শিক্ষার্থীর রুমে গিয়ে কথা বলার চেষ্টা করছি। পাশাপাশি নারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলতে হলের সামনে যাচ্ছি। আমাদের সংগঠনের নারী সদস্যরা তাদের নিজ নিজ হলে গিয়ে কাজ করছেন। আমরা আশা করি সব শিক্ষার্থীকে ‘রিচ’ করতে পেরেছি।”