জুলাই ও অগাস্টের ভ্যাট রিটার্ন জমায় মিলল আরও ১০ দিন
সময় বাড়ানোর কারণ হিসেবে এনবিআর বলেছে, মাসে মাসে ভ্যাট রিটার্ন জমার পুরনো ধারায় ফেরায় ই-ভ্যাট সিস্টেমে ‘কিছু সংস্কার’ প্রয়োজন পড়েছে।
জুলাই ও অগাস্টের রিটার্ন জমায় ১০ দিন সময় বাড়িয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
ফলে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত যে সময় ছিল, সেটা বেড়ে ২৫ অক্টোবর হলো।
এই সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে সুদ ও জরিমানার প্রয়োজন পড়বে না বলে বৃহস্পতিবার নতুন আদেশে জানিয়েছে কর আদায়কারী সংস্থাটি।
সময় বাড়ানোর ব্যাখ্যায় মাসে মাসে ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের পুরনো ধারায় ফেরায় ই-ভ্যাট সিস্টেমে ‘কিছু প্রশাসনিক সংস্কার প্রয়োজন’ বলে তুলে ধরা হয়।
ব্যবসায়ীদের ‘স্বস্তি দিতে’ চলতি অর্থবছর থেকে প্রতি মাসের বদলে তিন মাস অন্তর ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের বিধান চালু করা হয়। এর আগে মাসে মাসে দেওয়ার বাধ্যবাধকতা ছিল।
তবে মাসে মাসে রিটার্ন না মেলায় কর আদায়ের সর্বোচ্চ খাত থেকে প্রতিমাসে কী পরিমাণ ভ্যাট আদায় হচ্ছিল, তার তথ্য মিলছিল না। উল্টোদিকে ভ্যাটের আদায় নেতিবাচক ধারায় যাওয়ার কথা বলে আসছিলেন এনবিআরের কর্মকর্তারা।
এর পরিপ্রেক্ষিতে আগের মতো মাসিক ভ্যাট রিটার্ন চালুর উদ্যোগ নেয় এনবিআর। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সংক্রান্ত অধ্যাদেশের খসড়ায় নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
সংশোধিত মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক অধ্যাদেশের খসড়ায় বলা হয়েছে, বর্তমানে প্রতি তিন কর মেয়াদ বা তিন মাস শেষে ভ্যাট রিটার্ন দাখিলে ১৫ দিন সময় থাকে। এর বদলে প্রত্যেক কর মেয়াদ বা প্রতি মাস শেষে পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে ভ্যাট দাখিল করতে হবে।
এর তিনদিনের মাথায় ১ অক্টোবর এসে জুলাই ও অগাস্টেরও ভ্যাট রিটার্ন চায় এনবিআর।
এদিকে ভ্যাটের আদায় নেতিবাচক ধারায় চলায় নতুন অর্থবছরের সাড়ে তিনমাস পরেও কোনো মাসেরই রাজস্ব আদায়ের তথ্য প্রকাশ করেনি এনবিআর। জুলাই ও অগাস্টের ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময় আরও দশদিন বাড়ায় চার মাস শেষেও কোনো মাসের হালনাগাদ তথ্য না পাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হলো।
