এমটিবির মামলায় প্যাসিফিক টেলিকমের সিইওসহ পাঁচজনের ৬ মাসের আটকাদেশ
বাকি চারজন হলেন, তিন পরিচালক নাসরিন খান, মোর্শেদ খান ও আসগর করিম এবং অ্যাকটিভ ফিন্যান্সিয়াল চিফ অফিসার ফারিকুল ইসলাম।
মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের (এমটিবি) ঋণ পরিশোধ না করায় প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মেহবুব চৌধুরীসহ পাঁচজনকে ৬ মাসের দেওয়ানি আটকাদেশ দিয়েছে আদালত।
ঢাকার অর্থঋণ আদালত-৭ এর বিচারক মো. ফরিদ উদ্দীন বাদীপক্ষের আবেদনের শুনানি নিয়ে এ আদেশ দেন।
বৃহস্পতিবার আদালতের বেঞ্চ সহকারি তানজীদ জামান এ তথ্য দিয়েছেন।
বাকি ৫ বিবাদী হলেন— কোম্পানির তিন পরিচালক নাসরিন খান, মোর্শেদ খান ও আসগর করিম এবং অ্যাকটিভ ফিন্যান্সিয়াল চিফ অফিসার মো. ফারিকুল ইসলাম।
ঋণ ফেরত না দেওয়ায় ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে মোট ১২ বিবাদীর বিরুদ্ধে অর্থঋণ আদালতে আরজি দাখিল করে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক।
বিবাদীর তালিকায় থাকা অন্যদের মধ্যে রয়েছে, চিফ অপারেটিং অফিসার লি ইয়ুং শেইন, পরিচালক হিরোইউকি কনডন (জাপান), এডগার হ্যান্ডলেস, অ্যালান ওং টুয়ান কেং (জাপান), ফারইস্ট টেলিকম লিমিটেড, প্যাসিফিক মোটরস লিমিটেড এবং সিংটেল এশিয়া প্যাসিফিক ইনভেস্টমেন্ট।
বেঞ্চ সহকারী তানজীদ জামান বলেন, “মরগেজ ছাড়া প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেডকে ঋণ দেয় মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক। কিন্তু তারা সেই টাকা ফেরত দেয়নি। ঋণের টাকা আদায়ে অর্থঋণ আদালত-৩ এ মামলা করে ব্যাংকটি। সেখানে বাদী ও বিবাদী ‘কনটেস্ট’ করেন। পরে ডিক্রি ও রায় আসে ব্যাংকের পক্ষে। সব মিলিয়ে ১৩৫ কোটি ৩২ লাখ ৩৯ হাজার ৯৮৫ টাকা বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেডকে পরিশোধ করতে বলা হয়।"
তিনি বলেন,"রায়ের পর টাকা উদ্ধারে এক বছরের মধ্যে জারি মামলা করা হয়। ব্যাংকের পক্ষ থেকে ২৭ জুলাই আমাদের আদালতে জারি মামলা করা হয়। গত ১৬ অগাস্ট বিবাদীদের পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আদালতে হাজির হতে নোটিস দেওয়া হয়। তবে তারা আসেননি।
“এরপর বাদীপক্ষ পাঁচ বিবাদীর বিরুদ্ধে ৬ মাসের আটকাদেশ এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ারা জারির আবেদন করেন। আদালত ১৩ মে বিবাদী মেহবুব চৌধুরীকে ৬ মাসের আটকাদেশসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। অন্য বিবাদীদের বিরুদ্ধে একই আদেশ আসে ২৩ সেপ্টেম্বর।"
