সেপ্টেম্বরে ২৭৭ কোটি ডলারের রেমিটেন্স, ১১ মাসে সর্বনিম্ন
তবে চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৩ দশমিক ৩ শতাংশ।
চলতি পঞ্জিকা বছরের দ্বিতীয়ার্ধে এসে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সে ধীরগতি দেখা দিয়েছে; সেপ্টেম্বরে এসেছে ২৭৭ কোটি ডলার। এ অঙ্ক আগের বছরের একই মাসের চেয়ে ৩ শতাংশ বেশি হলেও ১১ মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম।
আগের বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরসহ চলতি বছরের মে পর্যন্ত টানা ছয় মাসে তিন বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিটেন্স আসার ধারায় ছেদ পড়ে জুনে এসে। এরপর সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আর তিন বিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স পাঠাননি প্রবাসীরা।
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক প্রকাশিত হালনাগাদ তথ্য বলছে, সেপ্টেম্বরে ২৭৬ কোটি ৬০ লাখ (২.৭৬ বিলিয়ন) ডলার দেশে পাঠিয়েছেন বিভিন্ন দেশে অবস্থানকারী প্রবাসীরা। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে এসেছিল ২৬৮ কোটি ৫৬ লাখ ডলার। এ হিসাবে এ মাসে বেড়েছে ৩ শতাংশ।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের হিসাবে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রথম তিন মাসে ৮৫৯ কোটি ১০ লাখ ডলার পালিয়েছেন প্রবাসীরা। আগের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের এ সময়ে এসেছিল ৭৫৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার। এ হিসাবে প্রথম প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৩ দশমিক ৩ শতাংশ।
রেমিটেন্সের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের পর থেকে মে পর্যন্ত টানা ছয় মাস ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিটেন্স এসেছিল। এর আগে একক মাসের হিসাবে সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স এসেছিল মার্চে ৩৭৫ কোটি ২২ লাখ ডলার, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৪৪ কোটি ২৬ লাখ ডলার আসে মে মাসে এবং তৃতীয় সর্বোচ্চ ৩২২ কোটি ৩৬ লাখ ডলার আসে ডিসেম্বরে। সে ধারা মে পর্যন্ত বহাল ছিল। দেশের ইতিহাসে এর আগে কখনই রেমিটেন্স প্রবাহে এমন উল্লম্ফন দেখা যায়নি।
এরপর গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শেষ মাস জুনে ২৮১ কোটি ৯০ লাখ ডলার পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে এসেছিল ২৮৫ কোটি ৮৮ লাখ ডলার; দ্বিতীয় মাস অগাস্টে আসে ২৯৬ কোটি ৬৭ লাখ ডলার।
অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৩ হাজার ৫৫৯ কোটি (৩৫.৫৯ বিলিয়ন) ডলার পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা; বছরজুড়েই অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ এই সূচকে উল্লম্ফন ছিল। এর আগের ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৩ হাজার ৩৩ কোটি (২০.৩৩ বিলিয়ন) ডলার পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা।
