শিল্প ও কৃষির কাঁচামাল আমদানির মূল্য পরিশোধের সময় ফের বাড়ল
আগামী বছরের জুন পর্যন্ত এক বছর সময়ের মধ্যে মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন আমদানিকারকরা।
কয়েকটি নির্দিষ্ট পণ্যের আমদানি মূল্য পরিশোধে অতিরিক্ত সময় পাওয়ার মেয়াদ আরেক দফা বাড়ানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে সার্কুলার দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, আমদানিকারকরা চাইলে আগামী বছরের জুন পর্যন্ত এক বছর সময়ের মধ্যে মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন।
প্রচলিত নিয়মে সর্বোচ্চ ছয় মাস বা ১৮০ দিনের মধ্যে আমদানি মূল্য পরিশোধের নিয়ম রয়েছে, যা পরে এক বছর করা হয়েছিল। এ সুবিধার মেয়াদ চলতি ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা।
তবে রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল (ইডিএফ) থেকে নেওয়া ঋণে আমদানি মূল্য পরিশোধে এ সুবিধা প্রযোজ্য হবে না বলে আগেই জানিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক।
দেশে ডলার সংকট তৈরি হলে রিজার্ভ ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে শিল্পের কাঁচামাল ও কৃষি খাতের পণ্যের আমদানি মূল্য পরিশোধের সময় বাড়িয়ে এক বছর করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। এর আগে গত জুনেও এ মেয়াদ ছয় মাস বাড়ানো হয়েছিল।
ব্যাংকগুলোকে বলা হয়, শিল্পের কাঁচামাল, ব্যাক-টু-ব্যাক এলসির (ঋণপত্র) দায় পরিশোধ ও কৃষি সংশ্লিষ্ট উপকরণ, সার জাতীয় পণ্যের আমদানি মূল্য পরিশোধ ৩৬০ দিনে করা যাবে আগামী জুন পর্যন্ত।
২০২২ সালের জানুয়ারিতে প্রথমে পণ্যের মূল্য পরিশোধে নির্ধারিত সময় ৬ মাস বা ১৮০ দিন থেকে বাড়িয়ে ২৭০ দিন করা হয়েছিল। ওই বছর জুলাইয়ে তা ৩৬০ দিনে উন্নীত করা হয়।
তখন ডলার সাশ্রয় ও পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে পণ্যের আমদানি মূল্য পরিশোধের সময় বাড়িয়ে দেওয়ার কথা জানিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক।
পণ্য আনার পরে অর্থ পরিশোধ পিছিয়ে দেওয়াকে ব্যাংকিং ভাষায় ‘ডেফারর্ড পেমেন্ট’ বলা হয়। এটি সাময়িক সুবিধা এনে দিলেও ডলারের বিপরীতে টাকার মান পড়ে গেলে উদ্যোক্তার খরচ বেড়ে যায়। এরসঙ্গে যুক্ত হয় বকেয়ার উপর সুদ।
