গৃহশ্রমের স্বীকৃতির ক্ষেত্রে এখনও ঘাটতি রয়েছে: রাশেদা কে চৌধুরী
গৃহশ্রমের স্বীকৃতির ক্ষেত্রে মানসিকতার পরিবর্তন প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।
গৃহশ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আইন ও নীতিমালায় স্বীকৃতি মিললেও এখনও অনেক ঘাটতি রয়েছে বলে মনে করেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী।
তিনি বলেছেন, ২০২৬ সালের শ্রম আইন সংশোধনের মাধ্যমে গৃহকর্মীরা শ্রমিক হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন। এখন মূল লক্ষ্য এই আইনি স্বীকৃতিকে বাস্তব সুরক্ষা ও অধিকার নিশ্চিত করা।
গৃহশ্রমের স্বীকৃতির ক্ষেত্রে মানসিকতার পরিবর্তনের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “আমরা যারা বিশেষ করে উন্নত বা মধ্যবিত্ত সমাজের মানুষ, অ্যাপার্টমেন্টে বসবাস করি, আমরা কেন আমাদের গৃহকর্মীকে একজন ‘সহকর্মী’ হিসেবে স্বীকৃতি দিতে পারি না?”
বুধবার ঢাকার আলোকি কনভেনশন সেন্টারে অক্সফ্যামের এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
সরকারের পাশাপাশি নাগরিক সমাজকেও শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, “সরকার তার নিজস্ব গতিতে ও নিয়মে কাজ করে। সরকার বিশাল একটি জাহাজ চলার মত, দিক পরিবর্তন করতে কিছুটা সময় লাগে। তাই সরকারের পাশাপাশি আমরা নাগরিক সমাজ ও সহযোদ্ধারা একসঙ্গে থেকে সরকারকে সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে হবে।”
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. হুমায়ুন কবির, আইএলও এর কর্মসূচি ব্যবস্থাপক নিরান রামজুথান ও বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজের নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ সুলতান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
