নতুন শিক্ষাক্রমের বার্ষিক সামষ্টিক মূল্যায়ন ১১-৩০ নভেম্বরের মধ্যে
গ্রীষ্মকালীন ছুটি বাতিল ও শীতকালীন ছুটি বাড়ানোর কারণে এই নির্দেশনা।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গ্রীষ্মকালীন ছুটি বাতিল ও শীতকালীন ছুটি বাড়ানোর ফলে বিদ্যমান কর্মদিবসের সঙ্গে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির নতুন শিক্ষাক্রমের কার্যক্রম সমন্বয় করার নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।
১০ নভেম্বরের মধ্যে সব শিখন অভিজ্ঞতা শেষ করে ১১ থেকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে বার্ষিক সামষ্টিক মূল্যায়ন শেষ করতে বলা হয়েছে।
সোমবার মাউশির সহকারী পরিচালক (মাধ্যমিক-২) এস এম জিয়াউল হায়দার হেনরী স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
নির্দেশনায় বলা হয়, গ্রীষ্মকালীন ছুটি বাতিল এবং ৩০ নভেম্বরের মধ্যে সব শিখন ও মূল্যায়ন কার্যক্রম শেষ করে এবং বাতিল করা গ্রীষ্মকালীন ছুটি শীতকালীন ছুটির সঙ্গে সমন্বয়ের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) থেকে প্রাপ্ত ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে চলমান নতুন শিক্ষাক্রমের কার্যক্রম বিদ্যমান কর্মদিবসের সঙ্গে সমন্বয় সংক্রান্ত কিছু বিষয় প্রতিপালন করতে বলা হয়েছে।
নতুন শিক্ষাক্রম অনুযায়ী সব বিষয়ের জন্য নির্ধারিত সব শিখন অভিজ্ঞতা সম্পন্ন করতে হবে। কোনো শিখন অভিজ্ঞতা কোনোভাবেই অসম্পূর্ণ রাখা যাবে না।
১০ নভেম্বরের মধ্যে সব শিখন অভিজ্ঞতা শেষ করে ১১ থেকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে বার্ষিক সামষ্টিক মূল্যায়ন সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে।
বিদ্যমান কর্মদিবসের মধ্যে কীভাবে ষান্মাসিক মূল্যায়নের পরবর্তী শিখন অভিজ্ঞতাগুলো সম্পন্ন করা যেতে পারে, সে সম্পর্কিত একটি বিষয়ভিত্তিক নির্দেশনা বা গাইডলাইন তৈরি করা হয়েছে, যা সকল শিক্ষককে অনুসরণ করে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।
২৩ জুলাই থেকে নতুন গাইডলাইন অনুসরণ করে সব প্রতিষ্ঠানে শিখন-শেখানো কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।
গাইডলাইন অনুসরণ সংক্রান্ত কোনো প্রশ্ন থাকলে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের মাস্টার ট্রেইনার, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের প্রশিক্ষকদের কাছ থেকে জেনে নেওয়া যেতে পারে।
এই নির্দেশনা শুধু ২০২৩ শিক্ষাবর্ষের জন্যই প্রযোজ্য। আগামী ২০২৪ শিক্ষাবর্ষ থেকে শিক্ষক সহায়িকা অনুসরণ করে যথানিয়মে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।
গত ১৯ জুলাই শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গ্রীষ্মকালীন ছুটি বাতিলের ঘোষণা দেন এবং ৩০ নভেম্বরের মধ্যে বার্ষিক পরীক্ষা শেষ করতে নির্দেশনা দেন।
