২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬ আশ্বিন ১৪৩৩

জব্দ মালামাল থানায় সংরক্ষণ হয় কীভাবে, জানতে চায় হাই কোর্ট

এ বিষয়ে রুলও জারি করেছে হাই কোর্টের একটি বেঞ্চ।

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 30 Aug 2022, 06:53 PM

Updated : 30 Aug 2022, 06:53 PM

বিভিন্ন ঘটনায় জব্দ করা মালামাল থানায় ও মালখানায় কীভাবে সংরক্ষণ করা হয় তা জানতে চেয়েছে হাই কোর্ট।

আগামী ছয় মাসের মধ্যে পুলিশের মহাপরিদর্শককে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে বলেছে আদালত।

এ সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাই কোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার এ আদেশ দেয়।

মালখানা ও থানায় ‘অনিরাপদভাবে’ থাকা জব্দ মালামাল সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বিবাদীদের নিস্ক্রীয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চেয়ে রুলও জারি করেছে আদালত।

আইন সচিব, জন নিরাপত্তা বিভাগের সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক এবং ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে রিটকারী পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অরবিন্দু কুমার রায়।

শিশির মনির পরে সাংবাদিকদের বলেন, “ঢাকাসহ দেশের সব আদালত ও থানা এলাকায় জব্দ করা মালামাল বছরের পর বছর পড়ে থাকতে দেখি। এসব মালামাল নিয়ে এমন অব্যবস্থাপনা সারা দুনিয়ার আর কোথাও আমরা দেখিনি। জব্দ করা মালামাল এভাবে বছর বছর পড়ে থাকার পরে সেটা রাষ্ট্রেরও কাজে লাগে না আর মালিকেরও কাজে লাগে না।”

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে উকিল নোটিস পাঠানোর পরও কোনো জবাব না আসায় গত ২৮ অগাস্ট হাই কোর্টে রিট করেন পাঁচ আইনজীবী।

তারা হলেন- মোহাম্মদ নোয়াব আলী, মো. মুজাহেদুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, জি এম মুজাহিদুর রহমান (মুন্না) ও ইমরুল কায়েস।