০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩

সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ফু-ওয়াংসহ ৪ বারে অভিযান

এনবিআরের কয়েকটি সংস্থা এ অভিযানে রয়েছে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 03 Oct 2026, 06:45 PM

Updated : 03 Oct 2026, 07:12 PM

কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুর শেখ নূর ইসলামের ‘ফু-ওয়াং বোলিং অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড’ সহ চার বারে অভিযান চলছে।

শনিবার সন্ধ্যায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে ‘বিশেষ অভিযান’ চালানোর কথা জানিয়েছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি)।

আরও যে তিনটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চলছে, তার মধ্যে রয়েছে-র ক্যানভাস রেস্টুরেন্ট, হাবিব হোটেল ইন্টারন্যাশনাল ও মার্গারিটা লাউঞ্জ।

সিআইআইডির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকার কিছু বার, রেস্তোরাঁ, ডিপ্লোম্যাটিক বন্ডেড ওয়্যারহাউজ, ডিউটি ফ্রি শপে ‘অবৈধ উৎস’ থেকে অ্যালকোহল বা অ্যালকোহলজাত পণ্য সংগ্রহ, শুল্ক-মূসক ও আয়কর ‘ফাঁকি’ এবং ‘অননুমোদিত’ গ্রাহকের কাছে তা সরবরাহের অভিযোগ রয়েছে। সিআইআইডি এ অভিযোগ অনুসন্ধানে চারটি দল গঠন করে।

এসব দলের সঙ্গে এনবিআরের আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট; সেন্ট্রাল
ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি), মূসক নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (ভ্যাট গোয়েন্দা) এবং ঢাকা উত্তর কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার গভীররাতে দক্ষিণ গুলশানে শেখ নূর ইসলামের বন্ডেড ওয়্যারহাউজ টস বন্ড প্রাইভেট লিমিটেডে যৌথ অভিযান পরিচালনা করে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি), মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।

বন্ড সুবিধায় আমদানি করা শুল্কমুক্ত মদ ‘অননুমোদিত’ দুই গুদামে মজুত রাখার অভিযোগে টস বন্ডের সে দুটির পাশাপাশি দুটি বৈধ গুদামও সিলগালা করা হয়।

দেশে থাকা মদ ও বারের ব্যবসায় নানা অনিয়মের অভিযোগের পাশাপাশি কানাডায় নুর ইসলাম ও তার পরিবারের নাগরিকত্ব থাকার তথ্য ও সম্পদ মেলার খোঁজ পেয়ে তদন্ত করে আসছিল কর আদায়ের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।

তবে সম্প্রতি ঢাকায় নিউ গিনি প্রপার্টিজের প্রকল্প এলাকায় সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলার ঘটনায় ক্ষমতাসীনদের দায়ী করার পর তদন্ত কার্যক্রমের গতি বাড়ে।

এদিকে ফু-ওয়াং দাবি করেছে, “সম্প্রতি ‘টস বন্ড’ নামক একটি ওয়্যারহাউজ সিলগালা হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই প্রতিষ্ঠানকে শেখ নূর ইসলামের প্রতিষ্ঠান হিসেবে যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।

“উক্ত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শেখ নুর ইসলাম বা তার পরিবারের কোনো প্রত্যক্ষ, পরোক্ষ বা দূরতম সম্পর্কও নেই।”

ফু-ওয়াং বলছে, “কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের সঙ্গে শেখ নুর ইসলামের কন্যা দিশা ইসলামের বিয়ে শেখ নুর ইসলাম বা তার পরিবার মেনে নেননি।”

তারা বলছে, “উক্ত বিয়ের পর থেকেই সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে শেখ নুর ইসলাম ও তার পরিবারের সকল প্রকার সামাজিক ও পারিবারিক সম্পর্ক সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।”