প্লাস্টিক দূষণ রোধে ‘চক্রাকার অর্থনীতির’ তাগিদ পরিবেশমন্ত্রীর
প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ইপিআর নীতিমালার সুফল পেতে তার কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত জোর দেন আবদুল আউয়াল মিন্টু।
প্লাস্টিক দূষণ রোধে সরকার, বেসরকারি খাত ও নাগরিকদের সমন্বিত উদ্যোগে ‘চক্রাকার অর্থনীতির’ দিকে এগিয়ে যাওয়ার তাগিদ দিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।
মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘ন্যাশনাল প্লাস্টিক অ্যাকশন পার্টনারশিপ (এনপিএপি) বাংলাদেশ’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
পরিবেশ মন্ত্রণালয়, ইউএনডিপি বাংলাদেশ এবং বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
পরিবেশমন্ত্রী বলেন, “প্লাস্টিক দূষণ রোধে সরকার, বেসরকারি খাত, উন্নয়ন সহযোগী, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, নাগরিক সমাজ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। অপ্রয়োজনীয় প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো, পুনঃব্যবহার বাড়ানো এবং বর্জ্য সংগ্রহ ও পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ ব্যবস্থা শক্তিশালী করার মাধ্যমে চক্রাকার অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যেতে হবে।”
প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বর্ধিত উৎপাদক দায়বদ্ধতা (ইপিআর) নির্দেশিকা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, “নীতিমালার সুফল পেতে কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা জরুরি। এ জন্য নির্ভরযোগ্য তথ্য, উৎপাদক, নিয়ন্ত্রক সংস্থা, পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকারী ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।”
অনুষ্ঠানে পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, “এনপিএপির সাফল্য কেবল সভার সংখ্যা দিয়ে নয়, বরং বাস্তব ফলাফল দিয়ে মূল্যায়ন করতে হবে। নীতির কার্যকর বাস্তবায়ন এবং বর্জ্যকর্মীদের জীবনমান উন্নয়নই হবে এর আসল মাপকাঠি।”
ইউএনডিপি বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন রড্রিগেজ প্লাস্টিক পোড়ানোর ক্ষতিকর দিক তুলে ধরে বলেন, “খোলা জায়গায় বর্জ্য পোড়ালে বিষাক্ত পদার্থ বাতাসে ছড়িয়ে চরম স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়। তাই বাসাবাড়ি থেকেই বর্জ্য আলাদা করার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে।”
পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ফাহমিদা খানমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থা ও উন্নয়ন সহযোগীরা অংশ নেন।
