Published : 19 Sep 2026, 10:18 PM
ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে স্বর্ণ জব্দের তথ্য দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআর।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের (সিআইআইডি) এয়ারপোর্ট সার্কেলের একটি দল বিমানবন্দরের কাস্টমস হলের এক নম্বর বেল্ট সংলগ্ন ওয়াশরুমের একটি হাই কমোডের ট্যাংক থেকে এসব স্বর্ণ উদ্ধার করেছে।
শনিবার সন্ধ্যায় এ অভিযানের তথ্য দিয়ে এনবিআরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পলিথিনে মোড়ানো আটটি ডিমসদৃশ প্যাকেটে এসব স্বর্ণ পেস্ট আকারে ছিল। এর মালিক পাওয়া যায়নি।
৪ দশমিক ২০৪ কেজি পেস্ট থেকে স্বর্ণ পৃথক করে প্রকৃত ওজন ও বিশুদ্ধতা নির্ধারণের চলমান থাকার কথা বলেছে কাস্টমস গোয়েন্দা অধিদপ্তর।
প্রাথমিক হিসাবে উদ্ধারকৃত স্বর্ণের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় সাড়ে ৭ কোটি টাকা হতে পারে, বলেছে এনবিআর।
পরীক্ষা করার পর স্বর্ণের চূড়ান্ত পরিমাণ, বিশুদ্ধতা ও প্রকৃত মূল্য নির্ধারণ করা সম্ভব হবে বলে কর আদায়কারী সংস্থাটি বলছে।
‘রেক্টামে’ লুকিয়ে ভারতে স্বর্ণ পাচারের চেষ্টা
শরীরের ভেতর লুকিয়ে ভারতে স্বর্ণ পাচারের সময় যশোরের বেনাপোলে ৮২ গ্রাম স্বর্ণ জব্দের তথ্য দিয়েছে এনবিআর।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের বেনাপোল সার্কেল অভিযানে চালিয়ে এ স্বর্ণ জব্দ করে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা বলে শনিবার সংস্থার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
সংস্থাটি বলেছে, চোরাচালানসংক্রান্ত তথ্যের ভিত্তিতে ১৯ সেপ্টেম্বর বেনাপোল ইমিগ্রেশন এলাকার জিরো পয়েন্ট সংলগ্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের বেনাপোল সার্কেল। এ সময় ভারতগামী যাত্রী আল মামুনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশি করা হয়।
“জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বর্ণ চোরাচালানের বিষয়টি অস্বীকার করেন। তবে সন্দেহ দূর না হওয়ায় অধিকতর নিশ্চিত হওয়ার জন্য তার শরীর এক্স-রে করা হয়।
এ পরীক্ষায় তার ‘রেক্টামে’ সন্দেহজনক বস্তুর উপস্থিতি শনাক্ত হয়। পরবর্তীতে তিনি স্বর্ণ বহনের বিষয়টি স্বীকার করেন।
এনবিআর বলছে, পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জব্দ স্বর্ণ বেনাপোল কাস্টম হাউসে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় আর কোনো ব্যক্তি বা সংঘবদ্ধ চোরাচালান চক্রের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।