সুপ্রিম কোর্টের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ: ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার
মতিঝিল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে রোববার তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সুপ্রিম কোর্টের প্রধান ফটকের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের রমনা বিভাগ।
ডিএমপির ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার সালমান ইসলাম সাকিব ওরফে আসিফ ছাত্রলীগের মতিঝিল থানা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। গত রোববার মতিঝিল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গোয়েন্দা পুলিশের বরাতে সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ডিএমপি মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের অতিরিক্ত উপ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী বলেন, “গত ১৫ সেপ্টেম্বর দুপুর সোয়া ১টার দিকে দুই ব্যক্তি মোটরসাইকেলে করে এসে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান ফটকের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যায়।
“নাশকতা ও জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ওই বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছিল। ঘটনার পর গোয়েন্দা রমনা বিভাগের একটি দল তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করে জড়িতদের শনাক্তে কাজ শুরু করে। এর ধারাবাহিকতায় রোববার সালমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ঘটনায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয়।”
পরে সালমানকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রোববার রাত আড়াইটার দিকে হাজারীবাগ বেড়িবাঁধ এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারটি ককটেল সদৃশ অবিস্ফোরিত বস্তু উদ্ধারের দাবি করেছে পুলিশ।
ডিএমপি বলছে, এ ঘটনায় শাহবাগ থানায় মামলা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
এর আগে গত ১৯ সেপ্টেম্বর রাতে কমলাপুর রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্মে দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় রোববার ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ২ নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারদের মধ্যে সাখাওয়াত হোসেন রায়হান ছাত্রলীগের শাহজাহানপুর থানা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক। ২০১৫ সালের এপ্রিল থেকে রেলওয়ের ইলেকট্রিশিয়ান হিসেবে কর্মরত। তবে গত তিন মাস ধরে তিনি কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন।
গ্রেপ্তার অপরজন মোহাম্মদ সানমুন শাহজাহানপুর থানা যুবলীগের সক্রিয় কর্মী বলে দাবি করেছে পুলিশ।
