১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

বনানীর শেরাটন ভবনের অংশ বুঝে নিতে রায়ের কপির অপেক্ষায় ডিএনসিসি

২৮ তলা ভবনটিতে নিজেদের অংশ বুঝে নিতে ডিএনসিসিকে বলেছে হাই কোর্ট।

বনানীর শেরাটন ভবনের অংশ বুঝে নিতে রায়ের কপির অপেক্ষায় ডিএনসিসি

ঢাকা শেরাটন হোটেল।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 14 Jun 2023, 06:11 PM

Updated : 14 Jun 2023, 06:11 PM

ঢাকার বনানীতে ২৮ তলা ভবনে নিজেদের হিস্যা বুঝে নিতে উচ্চ আদালতের রায়ের অনুলিপি হাতে পাওয়ার অপেক্ষায় আছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন।

এরপরই দখল বুঝে নিতে কাজ শুরু করবেন বলে জানিয়েছেন ডিএনসিসির মেয়র আতিকুল ইসলাম। ওই ভবনেই রয়েছে ঢাকা শেরাটন হোটেল।

গত সোমবার বনানীর ওই ভবনের ন্যায্য হিস্যা চুক্তি অনুযায়ী বুঝে নিতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনকে নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্ট।

বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাই কোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দিয়েছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে এ বিষয়ে প্রতিবেদনও চেয়েছে উচ্চ আদালত।

সেদিনের রুলে আদালত জানতে চেয়েছে, শত শত কোটি টাকা আদায়ের সংশ্লিষ্টদের নিষ্ক্রিয়তা ও ব্যর্থতা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না।

আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, বোরাক রিয়েল এস্টেটসহ বিবাদীদের ওই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

পুরানো খবর:

বনানীর হোটেল শেরাটন ভবন: সিটি করপোরেশনের হিস্যা বুঝে নেওয়ার নির্দেশ

বুধবার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, বিস্তারিত নির্দেশনার অপেক্ষায় আছেন তিনি। এটা পেলেই নিজেদের অংশ বুঝে নিতে কাজ শুরু করেবেন।

“আমরা হাই কোর্টের আদেশের কপির জন্য অপেক্ষা করছি। যে নির্দেশনা এসেছে ওই রায়ের কপিটা আনতে আমাদের আইনজীবীকে বলেছি। রায়ের কপি দেখার পর কোর্স অব অ্যাকশনটা শুরু করব।”

মেয়র জানান, ডিএনসিসি গত ১০ মার্চ স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি পাঠিয়ে ওই ভবনে নিজেদের অংশ বুঝে নিতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা চেয়েছিল।

২৮ তলা ওই ভবনের ফ্ল্যাটগুলোর ৬০ শতাংশ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোরাক টাওয়ার রেখে ৪০ শতাংশ দেওয়ার কথা ডিএনসিসিকে।

তা পেলে ডিএনসিসির আয়ও বাড়বে জানিয়ে মেয়র আতিক বলেন, “এটা শত কোটি টাকার প্রজেক্টে আমরা কিছুই পাচ্ছি না। প্রথমে ৩০ শতাংশ এবং ৭০ শতাংশ ছিল, পরে আমরা আলোচনা করে সেটা ৪০ শতাংশ আর ৬০ শতাংশ করেছি। কিন্তু এটা বুঝে না পেলে সেখানে আমরা কাজ করতে পারছি না।

“মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, নিজের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য। কিন্তু ওখান থেকে আমরা কোনো টাকা পাচ্ছি না। এটা পেলে আমাদের আয় বাড়বে।”