ঢাকার রিকশাচিত্রের বাণিজ্যিক প্রসারে কাজ করবে ইউনেস্কো
ঢাকার রিকশা ও রিকশাচিত্রকে ২০২৩ সালে ‘বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য’ এর স্বীকৃতি দেয় ইউনেস্কো।
‘বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য’ ঢাকার রিকশাচিত্রকে বিশ্বমঞ্চে ছড়িয়ে দিতে এবং এর কারিগরদের জীবনযাত্রার উন্নয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সংস্থাটি।
ঢাকায় ইউনেস্কোর কার্যালয়ে বুধবার ‘উইন্ডমিল অ্যাডভার্টাইজিং লিমিটেড’ এর সঙ্গে এ ব্যাপারে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে।
জাতিসংঘের এ সংস্থার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এ অংশীদারত্বের আওতায় ‘রিকশা পেইন্টিং: এক্সপ্যান্ডিং দ্য ক্যানভাস’ নামের একটি সমন্বিত প্রকল্প পরিচালনা করা হবে। মূলত রিকশাচিত্রের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা বাড়ানো, শিল্পীদের জন্য নতুন আয়ের সুযোগ তৈরি এবং তাদের দক্ষতা নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতেই এই প্রকল্প।
ইউনেস্কোর পক্ষে বাংলাদেশে সংস্থাটির প্রতিনিধি ও অফিস প্রধান সুজান ভাইজ এবং উইন্ডমিল অ্যাডভার্টাইজিংয়ের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কৌশলগত পরিকল্পনাবিদ সুমন পাটওয়ারী চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
ঢাকার রিকশা ও রিকশাচিত্রকে ২০২৩ সালে ‘বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য’ এর স্বীকৃতি দেয় ইউনেস্কো।
সুজান ভাইজ বলেন, “রিকশাচিত্র একটি জীবন্ত ঐতিহ্য, যা শিল্পীদের জ্ঞান, দক্ষতা ও সৃজনশীলতার ওপর নির্ভর করে টিকে আছে। ইউনেস্কো ও উইন্ডমিলের এই যৌথ প্রয়াস শিল্পীদের জীবিকায় সরাসরি সহায়তা করবে এবং নতুন প্রজন্মের কাছে তাদের দক্ষতা ছড়িয়ে দিতে ভূমিকা রাখবে।”
উইন্ডমিলের সুমন পাটওয়ারী বলেন, “সৃজনশীল যোগাযোগ, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বড় বড় বাণিজ্যিক ব্র্যান্ডের সঙ্গে শিল্পীদের সংযোগ ঘটিয়ে রিকশাচিত্রকে আন্তর্জাতিক পরিসরে নিয়ে যাওয়াই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”
প্রকল্পের অধীনে রিকশাচিত্রের শিল্পীদের প্রশিক্ষণ, নথিভুক্ত করা, দেশি-বিদেশি প্রদর্শনী আয়োজন ও প্রচারের নানা উদ্যোগ নেওয়া হবে।
ঢাকায় ইউনেস্কোর সংস্কৃতি প্রধান কিযী তাহনিন, প্রোগ্রাম সহকারী বিপাশা ত্রিপুরা এবং উইন্ডমিল অ্যাডভার্টাইজিংয়ের অপারেশন্স ও ক্লাইন্ট সার্ভিস ম্যানেজার মো. মতিউর রহমান রাব্বি চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
