১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪ কার্তিক ১৪৩৩

কম্বোডিয়ায় মুক্তি পাওয়া ৩০ বাংলাদেশি দেশে ফিরছেন মঙ্গলবার

তারা কাজের আশায় কম্বোডিয়া গিয়ে বিভিন্ন স্ক্যাম সেন্টারে আটকা পড়েছিলেন।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 19 Oct 2026, 02:35 PM

Updated : 19 Oct 2026, 02:34 PM

কম্বোডিয়ার ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টার থেকে মুক্তি পাওয়া সেই ৩০ বাংলাদেশি অবশেষে মঙ্গলবার দেশে ফিরছেন।

ব্র্যাক অভিবাসন কর্মসূচি পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে (টিজি-৩২১) মঙ্গলবার দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে তাদের ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌছানোর কথা রয়েছে।

এই ৩০ কর্মী হলেন—মো. হারুন অর রশীদ, মো. আব্দুল ওয়াদুদ, মো. তারলিব হাসান তিতুল, সুমিত চন্দ্র দাস, রাকিব হোসেন, বাপ্পি দাস, মো. লাবন শেখ, মো. আবদুর রহমান, মো. বিল্লাল হোসেন, মো. মোস্তফা, নূর নবী, মো. ইমন আলী, মো. বারকাতুল্লাহ, মো. রুবেল মিয়া, আলী আহমেদ, জাহিদুল ইসলাম, শামসুল আলম, মো. আবদুর রহমান, আবু জাহের সবুজ, শাওন, নাহিদ ঢালি, রাজু হোসেন, মো. তৈয়ব আলী শেখ, সাইমন ভূঁইয়া, মো. রাশেদুল, মো. আকাশ আহমেদ, মো. শিমুল আলী, আশিকুর রহমান, মো. আলামিন পিকে, মোহাম্মদ কবির।

তারা কাজের আশায় কম্বোডিয়া গিয়ে বিভিন্ন স্ক্যাম সেন্টারে আটকা পড়েছিলেন। সেখানে তাদের দিয়ে অনলাইনে বিভিন্ন অনৈতিক কাজ করানোর পাশাপাশি নির্যাতনও চালানো হত বলে অভিযোগ আছে।

পরে কম্বোডিয়া সরকার বিনা জরিমানায় দেশে ফেরার সুযোগ দিলে তারা দেশে ফিরতে নাম তালিকাভুক্ত করেন।

সেই অনুযায়ী গত ৩ সেপ্টেম্বর কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেন বিমানবন্দরে পৌঁছান। কিন্তু ইমিগ্রেশন চেকিংয়ের সময়ে অবৈধ অবস্থান ও অন্যান্য জটিলতায় ইমিগ্রেশন পুলিশ ৩২ জনকে আটক করে।

পরে দুজন মুক্তি পেলেও বাকি ৩০ জন দেশটির ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টারে আটক ছিলেন।

এরপর অনির্বাণ সারভাইভার ভয়েস ফাউন্ডেশন নামে একটি সংগঠনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাংককে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম শাখার প্রথম সচিবকে আটক বাংলাদেশিদের মুক্তি এবং দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়।

এরপর ধাপে-ধাপে সব প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার এসব কর্মীরা বাড়ির পথ ধরবেন বলে জানিয়েছে, ব্র্যাক অভিবাসন কর্তৃপক্ষ।

পুরনো খবর:

কম্বোডিয়ার স্ক্যাম সেন্টার থেকে উদ্ধারের পর ‘বন্দি’ সেই ৩০ বাংলাদেশি মুক্তি পেয়েছেন
স্ক্যাম সেন্টার: কম্বোডিয়ায় ‘বন্দি’ ৩২ জনের খোঁজ চায় পরিবার