মোহাম্মদপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে গ্রেপ্তার ৩১
সেনাবাহিনী, পুলিশ ও র্যাবের অভিযানে বেশ কিছু অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে।
ঢাকার মোহাম্মদপুরের ‘ভেঙে পড়া’ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে গত ২৪ ঘণ্টায় সেনাবাহিনী, পুলিশ ও র্যাবের যৌথ অভিযানে ৩১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক বার্তায় ২৯ জনকে গ্রেপ্তারের তথ্য জানানো হয়। আরেক বার্তায় আরও দুইজনকে গ্রেপ্তারের কথা জানায় সেনাবাহিনী।
রোজকার চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি এবং হতাহতের ঘটনায় অতিষ্ঠ হয়ে ঢাকার মোহাম্মদপুরে একদল মানুষ শনিবার বিকেলে থানায় গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে ৭২ ঘণ্টা সময় বেধে দেয়। এর মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি না হলে থানায় অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে তারা।
এরপর সেনাবাহিনীর তরফ থেকে অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করে অভিযান জোরদার ও থানা পুলিশের পক্ষ থেকে তৎপরতা বাড়ানোর কথা বলা হয়।
পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার রাতে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনীর টহল দল যৌথ অভিযান চালিয়ে জেনিভা ক্যাম্প থেকে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করে। তাদের কাছ থেকে দুটি রিভলবার, ২০ রাউন্ড গুলি এবং ৫টি চাপাতি উদ্ধার করা হয়।
পৃথক অভিযানে র্যাব ৯ জনকে গ্রেপ্তার করে। তাদের কাছ থেকে দুই কেজি গাঁজা, দুটি সামুরাই, একটি চাপাতি, একটি ছুরি এবং একটি অটোরিকশা জব্দ করা হয়।
এছাড়া মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ডাকাতি মামলায় তিনজন, দস্যুতা মামলায় ৫ জন, চুরির মামলায় ৩ জন এবং ডিএমপি অ্যাক্টে ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
সেনাবাহিনীর ৪৬ স্বতন্ত্র ব্রিগেডের অধীনে ঢাকা উদ্যান অস্থায়ী ক্যাম্পের তরফ থেকে জানানো হয়, গত ২৬ অক্টোবরে সংঘটিত গণছিনতাইয়ে ছিনতাই আব্বাস মীরকে চারটি মোবাইলসহ এবং ঢাকা উদ্যানের ‘অন্যতম শীর্ষ সন্ত্রাসী ও গ্যাংলিডার’ আহান ইমনের একান্ত সহযোগী ওয়াসিফ শুভকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
