Published : 09 May 2025, 01:03 AM
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলাম এবং তার স্ত্রী সোমা ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ক্ষমতার অপব্যবহার, অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে তারা অর্থ আত্মসাৎ করেছেন এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন।
বৃহস্পতিবার ঢাকায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে জানান কমিশনের উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম।
গত ৩০ এপ্রিল সাফিনুল ও তার স্ত্রীকে দুদকে এসে অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য দিতে নোটিশ পাঠান কমিশনের উপপরিচালক মো. মনিরুল ইসলাম।
সেই নোটিশ পেয়ে তারা এদিন দুদক কার্যালয়ে আসেন।
জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ফেরার সময় তারা সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেননি।
তাদের আইনজীবী মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, “উনারা যা আয় করেছেন, সবই জ্ঞাত উৎস থেকে। কোনো অবৈধ উপার্জন নেই। সাফিনুল ইসলাম একজন সৎ, দক্ষ ও চৌকস কর্মকর্তা হিসেবে দেশকে সেবা দিয়েছেন। তাদের সম্পদের হিসাব আয়কর নথিতে উল্লেখ রয়েছে এবং দুদককে তা জানানো হয়েছে।”
একটি জাতীয় নির্বাচনে তিনি দায়িত্বে ছিলেন এরকম এক প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘’উনি শুধু সরকারি দায়িত্ব পালন করেছেন। ক্ষমতার অপব্যবহার তিনি কখনো করেননি।’’
মেজর জেনারেল সাফিনুল ইসলাম ২০১৮ সালের ২৮ মার্চ বিজিবির মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং ২০২২ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ওই পদে দায়িত্ব পালন করেন।
দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৩ এপ্রিল আদালত সাফিনুল ও তার স্ত্রীর ৫৬টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দেয়। এসব হিসাবে সঞ্চয়পত্র, স্থায়ী আমানত ও ক্রেডিট কার্ড অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তার আগে গত ১৩ মার্চ দুদকের আরেক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ দম্পতির দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেয় আদালত।