Published : 17 Sep 2025, 12:47 PM
সরকার পতনের দিন যাত্রাবাড়ীতে এক শ্রমিক হত্যা মামলায় সাবেক এমপি ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকসহ ৭ জনকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে আদালত।
তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের শুনানি নিয়ে বুধবার ঢাকার মহানগর হাকিম আরিফুর এ আদেশ দেন।
রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌঁসুলী ওমর ফারুক ফারুকী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
অপর আসামিরা হলেন-সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমু, হাসানুল হক ইনু, রাশেদ খান মেনন, আব্দুর রাজ্জাক এবং যাত্রাবাড়ী-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য কাজী মনিরুল ইসলাম মনু।
সিটিটিসির এসআই শাখাওয়াত হোসেন গত ২৮ অগাস্ট তাদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করে। আদালত আসামিদের উপস্থিতিতে শুনানির জন্য এদিন ঠিক করেন।
সকালে শুনানিতে হাতে হাতকড়া, মাথায় হেলমেট, বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরা অবস্থায় তাদের আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি নিয়ে আদালত আসামিদের গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন।
মামলার বিবরণীতে বলা হয়েছে, গত ৫ অগাস্ট যাত্রাবাড়ী থানার সামনে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গুলিবিদ্ধ হন ৩৫ বছর বয়সী মো. রিয়াজ।
পরে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রিয়াজকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় তার স্ত্রী ফারজানা বেগম ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২১৩ জনকে আসামি করে গত ২২ জুলাই যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করেন। আমু এই মামলার একজন আসামি।
নিলয় হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার নজরুল মজুমদার
জুলাই আন্দোলনের সময় ভাটারার ফরাজী হাসপাতালের সামনে নাঈম হাসান নিলয় নামের ১৯ বছরের এক যুবককে হত্যাচেষ্টা মামলায় একই আদালত নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদারকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেয়।
ভাটারা থানার এসআই হাফিজুর রহমান ২৮ অগাস্ট তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য এ দিন ঠিক করেন।
শুনানিতে নজরুল ইসলাম মজুমদারকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে আদালত তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেয়।
মামলার বিবরণীতে বলা হয়েছে, গত বছর আন্দোলনের মধ্যে ১৯ জুলাই বিকালে ভাটারার ১০০ ফিট নতুন বাজারের কাছে ফরাজী হাসপাতালের সামনে মিছিল বের হয়। ওই মিছিলে হামলা চালানোর পর গুলিবিদ্ধ হন নিলয়।
দীর্ঘদিন চিকিৎসা নিয়ে গত ১৪ অক্টোবর ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৭৬ জনকে আসামি করে মামলা করেন নিলয়।