১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

ইচ্ছা করলেই দাঁড়িয়ে বক্তব্য দেওয়া যায় না: পয়েন্ট অব অর্ডার নিয়ে স্পিকার

“তিনটি পয়েন্ট অব অর্ডার শুনলাম। দুঃখের বিষয়, এর একটাও পয়েন্ট অব অর্ডাররূপে গৃহীত হয় নাই।”

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 10 Sep 2026, 10:13 PM

Updated : 17 Sep 2026, 02:58 AM

সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারের সুযোগ নিয়ে বারবার সতর্ক করার পর এবার কার্যপ্রণালী-বিধির ৩০১ বিধি পড়ে সদস্যদের শুনিয়েছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

ইচ্ছা করলেই পয়েন্ট অব অর্ডারের নামে দাঁড়িয়ে সংসদে কোনো বিষয়ে বক্তব্য দেওয়া যায় না মন্তব্য করে স্পিকার বলেন, “বৈধতার প্রশ্নটি তখন সংসদের বিবেচনাধীন বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে হবে। অথবা সংসদের শৃঙ্খলা ও কার্যক্রম পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত হতে হবে।”

কোনো প্রস্তাব ভোটে দেওয়ার সময়ও পয়েন্ট অব অর্ডার তোলা যাবে না বলে সদস্যদের স্মরণ করিয়ে দেন তিনি।

বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের শেষ দিনে ৩ জন সদস্য পয়েন্ট অব অর্ডারে কথা বলার পর এ ব্যাখ্যা দেন স্পিকার।

তাদের বক্তব্য শেষে স্পিকার বলেন, “এই যে তিনটি পয়েন্ট অব অর্ডার শুনলাম। দুঃখের বিষয়, এর একটাও পয়েন্ট অব অর্ডাররূপে গৃহীত হয় নাই।”

অধিবেশনের শুরু থেকেই তিনি পয়েন্ট অব অর্ডারের সীমা নিয়ে সদস্যদের বলে আসছেন বর্ণনা করে স্পিকার বলেন, “পয়েন্ট অব অর্ডার বা বৈধতার প্রশ্নের কিছু কন্ডিশন আছে। ইচ্ছা করলে দাঁড়ায়ে একটা বক্তব্য সংসদে দেওয়া যায় না।”

সদস্যদের তোলা অধিকাংশ পয়েন্ট অব অর্ডার বিধির শর্ত পূরণ করছে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ৩০১ বিধির উপবিধি ২ পড়ে স্পিকার বলেন, “কেবলমাত্র সংশ্লিষ্ট সময়ে সংসদের বিবেচনাধীন বিষয়ের উপর বৈধতার প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে।”

অর্থাৎ সংসদে যে বিষয়টি তখন বিবেচনাধীন থাকবে, পয়েন্ট অব অর্ডার সেই বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে হবে। তবে সংসদের শৃঙ্খলা রক্ষা বা কার্যক্রম পরিচালনার সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো বিষয় হলে একটি কার্যসূচি শেষ হওয়া এবং আরেকটি শুরু হওয়ার মধ্যবর্তী সময়ে স্পিকার সদস্যকে পয়েন্ট অব অর্ডার তোলার অনুমতি দিতে পারেন।

স্পিকার বলেন, “আপনার পয়েন্ট অব অর্ডারটা সংসদের কাজের শৃঙ্খলা এবং সংসদের কাজের ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে হবে। তাহলে এটা হচ্ছে পয়েন্ট অব অর্ডার।”

সদস্যদের কার্যপ্রণালী-বিধি পড়ার পরামর্শও দেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ।