০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

দুদকের দুই ব্রিফিংয়ের বৈধতা চ্যালেঞ্জ: আসিফ মাহমুদের রিট মামলায় আদেশ ১১ নভেম্বর

হাই কোর্টের একটি অবকাশকালীন বেঞ্চ ২৯ সেপ্টেম্বর রিট আবেদনটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছিল।

দুদকের দুই ব্রিফিংয়ের বৈধতা চ্যালেঞ্জ: আসিফ মাহমুদের রিট মামলায় আদেশ ১১ নভেম্বর

শুনানি শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন এনসিপি নেতা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার আইনজীবী ইউসুফ আলী।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 04 Nov 2026, 05:16 PM

Updated : 04 Nov 2026, 05:16 PM

দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের পর্যায়ে ‘প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়ার কথা তুলে ধরে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা দুটি সংবাদ সম্মেলনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার করা রিট মামলার শুনানি শেষ হয়েছে।

আগামী ১১ নভেম্বর আদেশের জন্য দিন রেখেছে হাই কোর্ট।

বুধবার বিচারপতি মো. বশির উল্লাহ ও বিচারপতি মো. হামিদুর রহমানের হাই কোর্ট বেঞ্চ আদেশের জন্য এই দিন ঠিক করে দিয়েছে।

শুনানি শেষে আসিফ মাহমুদের আইনজীবী ইউসুফ আলী সাংবাদিকদের বলেন, দুদকের ২০১১ সালের তথ্য অবমুক্তকরণ নীতিমালা অনুযায়ী চলমান অনুসন্ধানের বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করার সুযোগ নেই বলে তারা আদালতে যুক্তি দিয়েছেন। অনুসন্ধান পর্যায়ে অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত না হলেও সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ায় একজন নাগরিকের সুনামের অধিকার ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।

তিনি বলেন, “আমরা চাই যে দুদক দুর্নীতির বিরুদ্ধে আরও অনুসন্ধান করুক, আরও তদন্ত করুক, মামলা হোক—কোনো সমস্যা নাই। এখানে আমরা কিন্তু কোনো প্রতিবাদ করছি না। আমরা প্রতিবাদ করছি যে অনুসন্ধান শুরু করেই মিডিয়া ট্রায়ালটা শুরু করবেন না।”

দুদকের নীতিমালায় মামলা দায়ের, অভিযোগপত্র দাখিল ও নিষ্পত্তি হওয়া মামলা নিয়ে সংবাদ সম্মেলনের বিধান থাকলেও চলমান অনুসন্ধানের তথ্য সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশের বিধান নেই বলে দাবি করেন এই আইনজীবী ।

গত ২৯ সেপ্টেম্বর হাই কোর্টের একটি অবকাশকালীন বেঞ্চ রিট আবেদনটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছিল।

আদালতের অবকাশ শেষে নতুন করে শুনানির জন্য আবেদনটি বর্তমান বেঞ্চে উপস্থাপন করা হয়।

গত ২৮ সেপ্টেম্বর আসিফ মাহমুদ হাই কোর্টে রিট আবেদনটি করেন।

ওই আবেদনে ২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর দুদকের উপপরিচালক ও সহকারী পরিচালকের দুটি সংবাদ সম্মেলন কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারির আবেদন জানানো হয়।

রিট আবেদনে বলা হয়, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে দুর্নীতি বা অর্থ পাচারের অভিযোগ অনুসন্ধানের পর্যায়ে প্রকাশ্যে ‘প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়ার কথা জানানোর ক্ষমতা দুদক বা এর জনসংযোগ কর্মকর্তাদের নেই। এ ধরনের বক্তব্যে বিচার হওয়ার আগেই একজন ব্যক্তিকে দোষী হিসেবে উপস্থাপন করা হয় এবং ‘মিডিয়া ট্রায়ালের’ পরিস্থিতি তৈরি হয়।