১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

টাকা আত্মসাৎ: অ্যাননটেক্সের চেয়ারম্যান ও জনতার সাবেক এমডির বিরুদ্ধে মামলা

জালিয়াতির মাধ্যমে নেওয়া এ ঋণ পরিশোধ না করায় সুদসহ বেড়ে হয়েছে ১৬৩ কোটি টাকা।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 03 Jun 2025, 11:10 PM

Updated : 26 Aug 2026, 01:07 PM

‘মিথ্যা তথ্য ও নথির’ ভিত্তিতে ৮৫ কোটি টাকার বেশি আত্মসাতের অভিযোগে অ্যাননটেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান ও এমডি মো. ইউনুছ বাদল এবং জনতা ব্যাংকের সাবেক এমডি আব্দুছ ছালাম আজাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

তাদের সঙ্গে এ মামলায় আসামি করা হয়েছে জনতা ব্যাংকের আরও তিন কর্মকর্তাসহ চারজনকে।

মঙ্গলবার এ মামলা হয়েছে বলে সাংবাদিকদের বলেন দুদকের মহাপরিচালক আক্তার হোসেন।

তিনি বলেন, সংস্থার উপ-সহকারী পরিচালক এ এম তাহের বাদী হয়ে সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১ এ মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- এফ.কে. নিট টেক্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ারুল ইসলাম ফেরদৌস, জনতা ব্যাংকের সাবেক সহকারী মহাব্যবস্থাপক আজমুল হক, সাবেক ফার্স্ট এজিএম অজয় কুমার ঘোষ ও সাবেক নির্বাহী প্রকৌশল (পুর.) মো. শাহজাহান।

এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার, জাল-জালিয়াতি, বিশ্বাসভঙ্গ ও অপরাধজনক অসদাচরণ করে এফ.কে. নিট টেক্স লিমিটেডের নামে অবৈধভাবে ৮৫ কোটি ২০ লাখ ৯৩ হাজার টাকা ঋণ অনুমোদন ও বিতরণ করেন। পরে এই ঋণ স্থিতি দাঁড়ায় ১৬৩ কোটি ৬২ লাখ টাকারও বেশি।

এফ.কে. নিট টেক্স প্রকৃতপক্ষে অ্যাননটেক্স গ্রুপের একটি কোম্পানি হলেও মামলার প্রধান আসামি ইউনুছ বাদল ও তার সহযোগীরা কোম্পানিটিকে স্বতন্ত্র কোম্পানি হিসেবে উপস্থাপন করেন। এজন্য মিথ্যা তথ্য ও নথিপত্র ব্যবহার করে জনতা ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ করা হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।

এতে বলা হয়, ঋণ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ৫ কোটি ৫৬ লাখ টাকা মূল্য দেখিয়ে একটি জমি বন্ধক নেওয়া হয়। অথচ ছয় মাস পর ওই জমি কিনে নেয়া হয় মাত্র ২০ লাখ টাকায়। এ ঘটনায় ব্যাংকের তৎকালীন চার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সম্পৃক্ততা ও সহযোগিতার তথ্য উঠে এসেছে দুদকের অনুসন্ধানে।

এ ঘটনায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭ এর ৫(২) ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ এর ৪(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।