০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

চট্টগ্রামে ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’

অন্ধকার মিলনায়তনে বাঁশির সুরের মূর্ছনার মধ্যে বাঁশের সাঁকো পেরিয়ে আলো হাতে মঞ্চে হাজির হন কথক; শুরু হয় সোজন ও দুলীর প্রণয় উপাখ্যান।

চট্টগ্রাম ব্যুরো

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 31 Jan 2014, 09:19 PM

Updated : 01 Sep 2026, 12:20 PM

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজন ‘সোজন বাদিয়ার ঘাটে’র শ্রুতি পরিবেশন করে আবৃতি সংগঠন প্রমা।

সংগঠনের সভাপতি আবৃত্তিশিল্পী রাশেদ হাসান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, পল্লীকবি জসীম উদ্দীন গ্রাম বাংলার লোক জীবনের নিপুণ ভাষ্যকার। গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর সুখ-দুঃখ, প্রেম-বিরহ উঠে আসে তার কাব্যে।

“নাগরিক জীবনের যন্ত্র ও যান্ত্রিকতায় যন্ত্রণাদগ্ধ মানুষের জন্য জসীম উদ্দিনের কাব্য স্বস্তির এক পরম নির্ভরতা।”

৭০ মিনিট ব্যপ্তির এই শ্রুতি প্রযোজনায় উঠে আসে সোজন-দুলীর অপূর্ণ প্রেমকাহিনী; গড়াই নদীর পাড়ের ব্যাথাতুর সেই আখ্যান।

জসীম উদ্দীনের ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’ অবলম্বনে এই প্রযোজনার পাণ্ডুলিপি তৈরি করেন শর্মিষ্ঠা বড়ুয়া। নির্দেশনায় ছিলেন কংকন দাশ, আলোক প্রক্ষেপণে বাপ্পা চৌধুরী, তবলা ও ঢোলে রানা বড়ুয়া এবং বাঁশিতে শিমুল দাশ।

প্রযোজনার দশম মঞ্চায়নে অংশ নেন প্রমার ৪৬ জন আবৃতিশিল্পী। অনুষ্ঠানের শুরুতে বক্তব্য রাখেন প্রমার সভাপতি রাশেদ হাসান ও সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ পাল।

অনুষ্ঠানে বিশ্বজিৎ পাল বলেন, সোজন বাদিয়ার ঘাট শুধু সোজন-দুলীর প্রেমোপাখ্যান নয়। সমকালীন সমাজের এক গভীর সংকট-সাম্প্রদায়িকতার স্বরূপ এখানে উপস্থাপন করা হয়েছে।