বাংলাদেশের সঙ্গে সরাসরি আকাশপথে সংযোগ চায় সুইজারল্যান্ড

আগামী দুই মাসের মধ্যে এয়ার সার্ভিস এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরিত হবে আশা মন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদকবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 22 Feb 2024, 11:26 AM
Updated : 22 Feb 2024, 11:26 AM

বাংলাদেশের সঙ্গে সরাসরি বিমান যোগাযোগ স্থাপনে আগ্রহ দেখিয়েছে ইউরোপের দেশ সুইজারল্যান্ড।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী মুহাম্মদ ফারুক খানের সঙ্গে সাক্ষাতে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেতো রেংগলি এই আগ্রহের কথা জানান।

মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এ সময় মন্ত্রী ফারুক খান সুইজারল্যান্ডের আগ্রহকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “আশা করছি আগামী দুই মাসের মধ্যে বাংলাদেশ এবং সুইজারল্যান্ডের মধ্যে এয়ার সার্ভিস এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরিত হবে।

“এরপর আমরা দুই দেশের মধ্যে সরাসরি বিমান পরিচালনার বিষয়টি বিবেচনা করব।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের অবস্থান আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল রুটের মধ্যে হওয়ায় আমরা এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে একটি অন্যতম প্রধান এভিয়েশন হাবে রূপান্তর করার জন্য কাজ করছি।

“হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল, কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণ ও নতুন টার্মিনাল নির্মাণসহ দেশের সকল বিমানবন্দরের এভিয়েশন অবকাঠামোর উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। আমরা আশা করছি, আগামী অক্টোবরে থার্ড টার্মিনাল চালু হওয়ার পর আকাশপথের যাত্রী সংখ্যা ও কার্গোর পরিমাণ কয়েক বছরের মধ্যেই দ্বিগুণ হবে।”

পর্যটনমন্ত্রী ফারুক খান বলেন, বাংলাদেশের পর্যটনের অপার সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দেয়ার জন্য কাজ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে পর্যটন মহাপরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এ বছরেই তার বাস্তবায়ন শুরু হবে।

“এছাড়াও আমরা বিদেশি পর্যটকদের জন্য কক্সবাজারসহ দেশের আরো বেশ কিছু জায়গায় নিবিড় পর্যটন অঞ্চল তৈরি করছি। সেখানে সুইজারল্যান্ড বিনিয়োগ করলে আমরা তাদের সব সুযোগ-সুবিধা দেব।”

এসময় সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেতো রেংগলি বলেন, “বাংলাদেশে গত ১৫  বছরে অভূতপূর্ব অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয়েছে।  আমরা আশা করছি বাংলাদেশকে এভিয়েশন হাবে রূপান্তরের যে কাজ চলছে তা দ্রুত বাস্তবায়ন হবে। আমরা বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পে বিনিয়োগের জন্য সুইজারল্যান্ডের বিনিয়োগকারীদের সাথে কথা বলব।

“বিনিয়োগের জন্য একটি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন যাতে বাংলাদেশ সফর করে সেই ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহণ করব। এছাড়াও পর্যটনের উন্নয়নের জন্য যে মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করা হয়েছে, তা আমরা বিনিয়োগকারীদের কাছে পাঠাব।”