১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

শতবর্ষী স্টিমারে ভেসে ‘ফটোগ্রাফি পুরস্কার’, ১০ আলোকচিত্রীকে সম্মাননা

সারা দেশ থেকে আসা কয়েক হাজার ছবির মধ্য থেকে বিচারকরা প্যানেল সেরা ১০টি ছবি নির্বাচিত করেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 16 Apr 2026, 12:29 AM

Updated : 26 Aug 2026, 03:25 PM

বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পকে আলোকচিত্রের মাধ্যমে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরার স্বীকৃতি দিতে অনুষ্ঠিত হল ‘পর্যটন বিচিত্রা ফটোগ্রাফি অ্যাওয়ার্ড ২০২৫’।

গতানুগতিক প্রেক্ষাপট ভেঙে এবার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয় দেশের প্রায় শতবর্শী প্যাডেল স্টিমার পিএস মাহসুদ-এ। 

বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পর্যটন বিচিত্রা জানিয়েছে, ঐতিহাসিক প্যাডেল স্টিমারে মেঘনা ও শীতলক্ষ্যা নদীর বুকে ভাসতে ভাসতেই ‘আড়ম্বরপূর্ণ’ এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।

সারা দেশ থেকে আসা কয়েক হাজার ছবির মধ্য থেকে বিচারকরা প্যানেল সেরা ১০টি ছবি নির্বাচিত করেন। এ বছর পুরস্কারপ্রাপ্ত আলোকচিত্রীরা হলেন- তানভির অনিক, প্রকাশ মজুমদার, কিংশুক পার্থ, নাফিস আমিন, নয়ন দাশ, এস এম মোস্তাফিজুর রহমান, রেজানুল খান, বিপুল আহমেদ ও তারিক হাসান। 

পুরস্কার হিসেবে বিজয়ীদের হাতে ক্রেস্ট, সনদ এবং পর্যটন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন উপহার সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। এর মধ্যে প্রথম তিনজনকে দেওয়া হয় নগদ অর্থ পুরস্কার।

স্বনামধন্য তিন জ্যেষ্ঠ আলোকচিত্রী - মীর সামসুল আলম বাবু, মুহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান (মুস্তাফিজ মামুন) ও কেএম জাহাঙ্গীর আলম আয়োজনে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন। 

আয়োজন বিষয়ে পর্যটন বিচিত্রার সম্পাদক মহিউদ্দীন হেলাল বলেন, “বাংলাদেশের পর্যটনকে সমৃদ্ধ করতে ফটোগ্রাফারদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। আর পিএস মাহসুদের মতো একটি ঐতিহ্যবাহী স্টিমারে এই আয়োজন করার মূল উদ্দেশ্য হলো, আমাদের বিলুপ্তপ্রায় নৌ-ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে পরিচিত করে তোলা।”

পিএস মাহসুদ ১৯২৮ সালে ব্রিটিশদের নির্মিত একটি স্টিমার। এটি আধুনিকীকরণ করে এখন পর্যটকদের জন্য বিলাসবহুল ভ্রমণ সুবিধা প্রদান করছে। গত বছর ১৫ নভেম্বর থেকে নতুনভাবে পর্যটন সার্ভিস হিসেবে স্টিমারটি চালু করা হয়েছে। 

পুরস্কার বিজয়ীদের ছবিগুলো এখন থেকে এই স্টিমারেই প্রদর্শীত হবে।