Published : 25 Jun 2026, 10:01 PM
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর কাউকে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ৩২ জন নাগরিক।
বৃহস্পতিবার তাদের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “নতুন নির্বাচিত সরকার গঠন এবং তাদের শপথ গ্রহণের দিনই পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব একজন পূর্ণ মন্ত্রীর উপর দেওয়ায় পার্বত্য জনগোষ্ঠীর মনে এই সরকারের প্রতি আস্থা আরো দৃঢ় হয়েছিল। যাকে (দীপেন দেওয়ান) দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল তিনি ঐ অঞ্চল থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসাবে সর্বোচ্চ ভোটে জয়ী হয়েছিলেন।
“কিন্তু সম্প্রতি তিনি ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন। এতে জনমনে বিশেষ করে পার্বত্য অঞ্চলের আদিবাসী গোষ্ঠীসহ সাধারণ মানুষের মনে এমন সন্দেহ দানা বাঁধে যে তাকে তার দায়িত্ব পালনে কোনো বিশেষ মহল অযৌক্তিকভাবে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ বাধা সৃষ্টি করেছেন।”
এর ফলে সরকারের প্রতি পাহাড়ি মানুষের আশাবাদ এখন ‘অনেকটাই প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে’ বলে লেখা হয়েছে বিবৃতিতে।
বিএনপি সরকারের যাত্রা শুরুর সাড়ে তিন মাসের মাথায় গত ১ জুন মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। পদত্যাগপত্রে কারণ হিসেবে স্বাস্থ্যগত জটিলতার কথা বলেন তিনি।
এখন ওই দায়িত্বে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর কাউকে বেছে নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে ৩২ নাগরিকের বিবৃতিতে।
সেখানে বলা হয়, “পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মধ্য থেকে তাদের কোনো আস্থাভাজন ব্যক্তিকে পার্বত্য চুক্তির বিধানের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে একজন পূর্ণ মন্ত্রী নিয়োগ দেওয়া হোক। তাকে পুরো মন্ত্রণালয়ের পরিচালনার ভারও দিতে হবে।”
বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন- মানবাধিকার কর্মী ও মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল, নিজেরা করির সমন্বয়কারী খুশী কবির, লেখক ও সাংবাদিক আবু সাঈদ খান, টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান, সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট জেড আই খান পান্না, ব্যারিস্টার সারা হোসেন, অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, আলোকচিত্রী শহিদুল আলম, এএলআরডির নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা, লেখক রেহেনুমা আহমেদসহ ৩২ জন।