১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

২৯ জুলাই হতে ৮ অগাস্ট ‘ফ্যাসিবাদী শক্তির’ নৈরাজ্যের আশঙ্কায় এসবির সতর্কতা

এ সময়ে বিশেষ অভিযান পরিচালনাসহ যানবাহন তল্লাশির পরামর্শও দিয়েছেন এসবির ডিআইজি।

২৯ জুলাই হতে ৮ অগাস্ট ‘ফ্যাসিবাদী শক্তির’ নৈরাজ্যের আশঙ্কায় এসবির সতর্কতা
ফাইল ছবি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 29 Jul 2025, 05:21 PM

Updated : 26 Aug 2026, 01:28 PM

শেখ হাসিনা সরকার পতনের বছর পূর্তি উপলক্ষে সরকার ও বিভিন্ন সংগঠনের কর্মসূচি ঘিরে ‘ফ্যাসিবাদী শক্তি’ নৈরাজ্য করতে পারে, এমন আশঙ্কার কথা জানিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সব ইউনিটকে সতর্ক করে চিঠি দিয়েছে পুলিশের বিশেষ শাখা।

সেই চিঠিতে ২৯ জুলাই হতে ৮ অগাস্ট পর্যন্ত সময়কালকে ‘বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। 

সোমবার পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) ডিআইজি (রাজনীতিক উইং) এ সংক্রান্ত চিঠিতে এ সময়ে বিশেষ অভিযান পরিচালনাসহ যানবাহন তল্লাশির পরামর্শও দিয়েছেন।

গোপনীয় এই চিঠির বিষয়টি নিশ্চিত করে এসবি প্রধান গোলাম রসুল মঙ্গলবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “এটা কোন এক মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে। তবে আমরা কোনো বিশেষ দিন-অনুষ্ঠান ঘিরে বিভিন্ন ধরণের পরামর্শ-নির্দেশনা দিয়ে থাকি, এটা আমাদের নিয়মিত কাজের অংশ।”

দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশেষ পুলিশি ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি তুলে ধরে চিঠি বলা হয়েছে, “ঐতিহাসিক জুলাই অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে সরকার, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী সামাজিক সংগঠনগুলো গত ১ জুলাই হতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে। 

“এই ধারাবাহিকতায় ২৯ জুলাই হতে ৮ অগাস্ট পর্যন্ত কর্মসূচি পালনের সময়কাল বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।”

এ সময়ে কর্মসূচি পালনকে কেন্দ্র করে ‘বিতাড়িত ফ্যাসিবাদী শক্তি’ অনলাইন ও অফলাইনে প্রচারণা চালিয়ে দেশব্যাপী নৈরাজ্য সৃষ্টির আশঙ্কার কথা বলা হয়েছে চিঠিতে।

এতে বলা হয়, “ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তি কর্মসূচিতে বাধা প্রদানসহ দেশব্যাপী বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর অপচেষ্টা চালাতে পারে।”

এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখাসহ সরকারি-বেসরকারি সম্পত্তি ও জানমাল রক্ষার জন্য মোট ছয়টি নির্দেশনা দেওয়া হয় চিঠিতে।

এসব নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে- 

>> ২৯ জুলাই হতে ৮ আগস্ট পর্যন্ত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা 

>> ৮ আগস্ট পর্যন্ত নিয়মিত সন্দেহজনক ব্যক্তিসহ মোটরসাইকেল, মাইক্রোবাস ও অন্যান্য যানবাহন তল্লাশি করা।

>> বাস টার্মিনাল, লঞ্চঘাট, রেলস্টেশন ও বিমানবন্দরের পার্শ্ববর্তী এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। 

>> গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিল অভিযান পরিচালনা করা। 

>> মোবাইল পেট্রোল জোরদার করা। 

>> গুজব রোধে সাইবার পেট্রোলিং কার্যক্রম অব্যাহত রেখে গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করা।