১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

খতনা করাতে গিয়ে অঙ্গ কর্তন: ওষুধের দোকানিকে কারাফটকে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ

খলিল গত ২২ মার্চ নয় বছর বয়সী এক শিশুর খতনা করাতে গিয়ে তার পুরুষাঙ্গের খানিকটা অংশ কেটে ফেলেন বলে স্বজনদের অভিযোগ।

খতনা করাতে গিয়ে অঙ্গ কর্তন: ওষুধের দোকানিকে কারাফটকে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ
খলিলুর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 20 Apr 2026, 03:45 PM

Updated : 26 Aug 2026, 03:27 PM

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে খতনা করতে গিয়ে এক শিশুর পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলার অভিযোগে করা মামলায় ওষুধের দোকানি খলিলুর রহমানকে একদিন কারাফটকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছে আদালত।

পুলিশের করা রিমান্ড এবং আসামির করা জামিন আবেদন নাকচ করে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম সোমবার এ আদেশ দেন।

খলিল গত ২২ মার্চ নয় বছর বয়সী এক শিশুর খতনা করাতে গিয়ে তার পুরুষাঙ্গের খানিকটা অংশ কেটে ফেলেন বলে স্বজনদের অভিযোগ। 

ওই ঘটনায় শিশুটির নানা ১০ এপ্রিল মোহাম্মদপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। ওইদিন সন্ধ্যায় ঢাকা উদ্যান এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় এলাকায় ‘খলিল ডাক্তার’ নামে পরিচিত এ দোকানিকে। পরদিন তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার এসআই রেজাউল করিম তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির দিন সোমবার ধার্য করেন। 

প্রসিকিউশন পুলিশের এসআই মিজানুর রহমান জানান, রিমান্ড শুনানির জন্য সোমবার খলিলকে আদালতে হাজির করা হয়। 

বাদীপক্ষ থেকে রিমান্ড মঞ্জুরের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবীরা। আসামিপক্ষের আইনজীবী রিমান্ডের বিরোধিতা করে জামিনের আবেদন করেন।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত রিমান্ড ও জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে আসামিকে একদিন জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেয়।

মামলার বিবরণে বলা হয়, গত ২২ মার্চ সকালে শিশুটিকে খতনা করানোর জন্য ঢাকা উদ্যান এলাকার ‘খলিল মেডিকেল’ নামের ওই ফার্মেসিতে নিয়ে যান অভিভাবকরা। খতনার সময় ‘চিকিৎসকের মারাত্মক অবহেলার কারণে’ শিশুটির পুরুষাঙ্গের সামনের অংশে গুরুতর জখম হয়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হওয়ায় শিশুটিকে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে চিকিৎসা দেওয়া হয়।