Published : 31 Aug 2026, 08:53 PM
ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ, চাঁদাবাজি ও জ্ঞাত আয়বর্হিভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ থাকায় জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তরের (এনএসআই) অতিরিক্ত পরিচালক এম এস কে শাহীন (বাধ্যতামূলক অবসর) ও যুগ্ম পরিচালক বদরুল আহমেদের (বরখাস্ত দণ্ডপ্রাপ্ত) দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আদালত।
এছাড়া দুর্নীতি, ঘুষ, ক্ষমতার অপব্যবহার ও বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগ থাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, তার স্ত্রী সোমা বড়ুয়া, ভাই বিদ্যুৎ বড়ুয়া এবং তার স্ত্রী অগ্নি বড়ুয়ারও দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
দুদকের পৃথক তিন আবেদনের প্রেক্ষিতে সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবির এ আদেশ দেন বলে তথ্য দিয়েছেন দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম।
এ দিন এম এস কে শাহীন ও বদরুল আহমেদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে পৃথক দুটি আবেদন করেন দুদকের সহকারী পরিচালক বিলকিস আক্তার।
আবেদনে বলা হয়, শাহীন ও বদরুলের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ, চাঁদাবাজি ও জ্ঞাত আয়বর্হিভূত সম্পদ অর্জনের বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে। বিশ্বস্ত সূত্র বলছে, তারা দেশত্যাগের চেষ্টা করছেন। তারা বিদেশে পালিয়ে গেলে পাচার করা অর্থ পুনরুদ্ধার করা দুরুহ হয়ে পড়বে। সে জন্য দুইজন যেন দেশত্যাগ করতে না পারেন সে জন্য নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজন।
অন্যদিকে বিপ্লব বড়ুয়া ও তার পরিবারের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আবেদন করেন দুদকের উপপরিচালক জাহাঙ্গীর আলম। আবেদনে বলা হয়, বিপ্লব বড়ুয়া, তার ভাই ও তাদের স্ত্রীদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, ঘুষ, ক্ষমতার অপব্যবহার ও বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে অর্থ উপার্জনের অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে। এ অর্থ তারা নিজেদের নামে এবং স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে পরিচালিত ব্যাংক হিসাবে লেনদেনের মাধ্যমে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে অপরাধ করেছেন। অনুসন্ধানকালে জানা গেছে, তারা বিদেশে পালিয়ে যেতে পারেন।
তাই অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তাদের বিদেশ যাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার আবেদন করা হয়।