Published : 30 Jul 2024, 10:24 PM
কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সহিংসতায় আহতদের খোঁজ-খবর নেওয়ার ধারাবাহিকতায় এবার ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
মঙ্গলবার বিকাল ৫টায় সেখানে গিয়ে চিকিৎসাধীন ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের চিকিৎসার খোঁজ নেন সরকারপ্রধান। আহতদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।
গুরুতর আহতদের কষ্ট দেখে এবং তাদের সঙ্গে হওয়া বর্বরতার কথা শুনে আবেগাপ্লুত হতে দেখা যায় আওয়ামী লীগ সভাপতিকে শেখ হাসিনাকে। তিনি আহতদের যথাযথ চিকিৎসার আশ্বাস দেন এবং তাদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন।
কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সহিংসতায় আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসার খোঁজ-খবর নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার ঢাকার সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে
সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক মো. শফিকুর রহমান আহতদের চিকিৎসায় নেওয়া পদক্ষেপের কথা প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন।
গত কয়েকদিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ট্রমাটোলজি অ্যান্ড অর্থোপেডিক রিহ্যাবিলিটেশন-নিটর (পঙ্গু হাসপাতাল), ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল, রাজারবাগে কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল পরিদর্শন করেন এবং চিকিৎসাধীন আহতদের খোঁজ-খবর নেন। আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সহিংসতায় আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসার খোঁজ-খবর নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার ঢাকার সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে
এ ছাড়া সাম্প্রতিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত মিরপুর-১০ নম্বর মেট্রোরেল স্টেশন, বাংলাদেশ টেলিভিশন ভবন, সেতু ভবন, দুযোর্গ ব্যবস্থাপণা ভবন, এক্সপ্রেসওয়ের টোল প্লাজা পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী।
সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে ১৫ জুলাই থেকে শুরু হয় সহিংসতা, ১৬ জুলাই প্রাণহানির খবর আসে। সেই থেকে ২১ জুলাই পর্যন্ত আন্দোলন ঘিরে সহিংসতায় অনেক মানুষে হতাহতের তথ্য আসে।
কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সহিংসতায় আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসার খোঁজ-খবর নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার ঢাকার সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে
সংবাদমাধ্যমের খবর বলছে, আন্দোলন ঘিরে সহিংসতায় এ পর্যন্ত ২১০ জনের প্রাণহানির খবর রয়েছে। তবে সরকার বলছে, তাদের কাছে আসা তথ্য অনুযায়ী সংখ্যাটি দেড়শ।
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে বিএনপি-জামায়াত সরকার পতনের লক্ষ্যে সহিংসতা ও আন্দোলনকারীদের প্রাণ নিয়েছে বলে অভিযোগ করছেন সরকারপ্রধান ও মন্ত্রীরা।
এরই মধ্যে আন্দোলনে সহিংসতা ও হত্যার জন্য কয়েকশ মামলা হয়েছে, গ্রেপ্তার করা হয়েছে কয়েকজ হাজার সন্দেহভাজনকে।
তবে অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আসছে বিএনপি।