Published : 06 Sep 2025, 08:21 PM
রাজধানীর মালিবাগে সোহাগ পরিবহনের কাউন্টারে হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে আরও দুজনকে গ্রেপ্তারের তথ্য দিয়েছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন—র্যাব।
শনিবার তাদের গ্রেপ্তারের কথা তুলে ধরে র্যাবের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মামলার ১ নম্বর আসামি বিল্লাল হোসেনকে ঢাকার হাতিরঝিল থানার আমবাগান এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। কেরানীগঞ্জ থানার মডেল টাউন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় ৩ নম্বর আসামি বাপ্পিকে।
সিসিটিভির ভিডিওর মাধ্যমে তাদের শনাক্ত করার কথা বলা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।
বুধবার রাতে ৬০ থেকে ৭০ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে মালিবাগে সোহাগ পরিবহনের কাউন্টার ও কোম্পানির একজন মালিক আলী হাসান পলাশ তালুকদারের বাসায় হামলা চালায়।
হামলার ঘটনায় সোহাগ গ্রুপের নিরাপত্তা কর্মকর্তা দেওয়ান মো. আল আমিন বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার রমনা থানায় একটি মামলা করেন। এতে আসামির তালিকায় ১৮ জনের নাম বলা হয়েছে। অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে আরও ১৮ থেকে ২০ জনকে।
মামলা হওয়ার দিন মো. পারভেজ ও জয়নাল আবেদিন নামের দুই আমামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরের দিন পারভেজকে এক দিনের রিমান্ড এবং জয়নাল আবেদিনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয় আদালত।
মামলা বলা হয়েছে, সোহাগ পরিবহনের কাউন্টারের সামনে আকাশ ও রুমন নামে দুজন ধূমপান করছিলেন। সোহাগ পরিবহনের তিন কর্মচারী সরে গিয়ে ধূমপান করতে বললে তারা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। পরে প্রধান আসামি বিল্লালের নেতৃত্বে অন্যরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে সোহাগ পরিবহনের মালিকের বাড়ির গ্যারেজের সামনের নিরাপত্তা প্রহরীর কক্ষের কাচ ভেঙে ফেলেন।
র্যাব বলছে, ঘটনাটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর হওয়ায় তারা গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়িয়ে দেয়। তারা সিসিটিভির ভিডিও বিশ্লেষণ করে এবং তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ রয়েছে।
এ ঘটনায় রমনা থানার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি বিল্লাল হোসেনের জড়িত থাকার অভিযোগ উঠলে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।
আগের খবর