রিমান্ড-জামিন নাকচ, হত্যা মামলায় জাবির বরখাস্ত শিক্ষক জনি কারাগারে
ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সালেহ এ আদেশ দেন।
গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের দিন ঢাকার সাভারে ছাত্রদল নেতা আরিফুর রহমান ওরফে রাসেল হত্যা মামলায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বরখাস্তকৃত শিক্ষক মাহমুদুর রহমান জনিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে আদালত।
শনিবার রিমান্ড ও জামিনের আবেদন নাকচ করে ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সালেহ এ আদেশ দেন।
প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই বিশ্বজিৎ দেবনাথ এ তথ্য দিয়েছেন।
আগের দিন শুক্রবার রাতে সাভার পৌর এলাকার ব্যাংক টাউন মহল্লা থেকে জনিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
জাহাঙ্গীনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক এই সভাপতি পাবলিক হেলথ ও ইনফরমেটিক্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ছিলেন। সহকারী প্রক্টরের দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি।
জনিকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাভার থানার এসআই মেহেদী হাসান।
আসামি পক্ষে আইনজীবী তন্ময় ভৌমিক রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন।
শুনানিতে তিনি বলেন, “আসামি একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক। হত্যার ঘটনার সাথে জড়িত ছিলেন না। রাজনীতি ছেড়ে দিয়েছেন। ঘটনার সাথে জড়িত নন। তাকে সন্ধিগ্ধ আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করে রিমান্ড আবেদন করেছে। রিমান্ডের যৌক্তিকতা নেই। রিমান্ড বাতিল করে জামিনের প্রার্থনা করছি।”
শুনানি শেষে আদালত রিমান্ড ও জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
গত বছরের ৫ অগাস্ট ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে।
সেদিন ছাত্রদল নেতা রাসেল সাভার থানার মুক্তির মোড় এলাকায় আন্দোলনে অংশ নেন বলে মামলায় বলা হয়েছে।
এতে বলা হয়, বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে আসামিদের ছোড়া গুলিতে আহত হন তিনি। হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
এ ঘটনায় রাসেলের ভাই সাইদুর রহমান সাভার থানায় গত বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর হত্যা মামলা করেন।
