১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪ আশ্বিন ১৪৩৩

ভৌগোলিক নৈকট্যের মাধ্যমে একে অপরকে অনেক কিছু দিতে পারি: প্রণয় ভার্মা

“আমাদের অংশীদারত্ব কীভাবে উভয়পক্ষের জনগণ ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সুবিধা বয়ে আনে, সেটার অসংখ্য উদাহরণ রয়েছে,” বলেন তিনি।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 24 Jan 2026, 11:25 PM

Updated : 26 Aug 2026, 02:47 PM

ভৌগোলিক নৈকট্য কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ ও ভারত একে অপরকে এবং এই অঞ্চলকে অনেক কিছু দিতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় ভারতীয় হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা।

শনিবার ঢাকায় ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুদেশের সহযোগিতার কথা কথা তুলে ধরে এ মন্তব্য করেন তিনি।

প্রণয় ভার্মা বলেন, “অগ্রসরমান সমাজ হিসেবে আমরা যখন একসঙ্গে কাজ করি, তখন আমরা আমাদের ভৌগোলিক নৈকট্যকে নতুন সুযোগে রূপান্তর করার মাধ্যমে একে অপরকে ও আমাদের অঞ্চলকে অনেক কিছু দিতে পারি।”

তিনি বলেন, “আমাদের অংশীদারত্ব কীভাবে উভয়পক্ষের জনগণ ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানসমূহের জন্য সুবিধা বয়ে আনে, সেটার অসংখ্য উদাহরণ রয়েছে।

“এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এসব সাফল্য আরও দূরদর্শী ও ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় পারষ্পিরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে প্রেরণা জোগায়।”

তিনি বলেন, এই সহযোগিতা গড়ে উঠেছে সমৃদ্ধি, অগ্রগতি ও অংশীদারত্বের প্রতি দুই দেশের যৌথ আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে।

ভারতীয় হাই কমিশনার বলেন, “আজ তরুণ, দক্ষ ও উদ্ভাবনী জনগোষ্ঠী দ্বারা পরিচালিত দুটি দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতি ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী সমাজ হিসেবে ভারত ও বাংলাদেশ একে অপরের টেকসই প্রবৃদ্ধির অনুঘটক, একে অপরের ভবিষ্যত সমৃদ্ধির সহায়ক। 

দুই দেশে দৃঢ় আঞ্চলিক সংহতির ভিত্তি হয়ে উঠতে সক্ষম মন্তব্য করে তিনি বলেন, “একসঙ্গে আমরা আঞ্চলিক মূল্য শৃঙ্খল, যৌথ ডিজিটাল ইকোসিস্টেম ও জ্বালানি করিডোর বিনির্মাণ করতে পারি, যা আমাদের উভয় অর্থনীতির উন্নতি ঘটাবে।

“একসঙ্গে আমরা নিশ্চিত করতে পারি যে, আমাদের অঞ্চলের জ্বালানির ভবিষ্যৎ হবে পরিচ্ছন্ন, সাশ্রয়ী ও নিরাপদ। একসঙ্গে আমরা আমাদের অভিন্ন বাস্তুতন্ত্রের জন্য পরিবেশগত স্থায়িত্ব ও জলবায়ু পরিবর্তনের যৌথ প্রতিবন্ধকতাসমূহ মোকাবিলা করার জন্য কাজ করতে পারি।”

ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবস উদ্‌যাপন অনুষ্ঠানের সুযোগে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের ‘দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারত্বের মূল্য’ পুনর্ব্যক্ত করে হাই কমিশনার বলেন, “বাংলাদেশের জনগণের জন্য তাদের আগামীর যাত্রায় শান্তি, সমৃদ্ধি ও সফলতা কামনা করছি।

“আমরা একটি গণতান্ত্রিক, স্থিতিশীল, শান্তিপ্রিয়, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশকে সমর্থন করেছি এবং সেটা অব্যাহত রাখব।”

প্রজাতন্ত্র দিবসের আয়োজনে প্রধান অতিথি ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ এবং সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান।

অনুষ্ঠানে রাজনীতিক, কূটনৈতিক, পেশাজীবীসহ বিভিন্ন অঙ্গনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।